দু দিন ধরে অনাহারে শিশু কাঁধে নিয়ে বাড়ি ফিরতে পায়ে হাঁটা দরিদ্র শ্রমিকের

26th March 2020 ভারত
দু দিন ধরে অনাহারে শিশু কাঁধে নিয়ে বাড়ি ফিরতে পায়ে হাঁটা দরিদ্র শ্রমিকের


করোনাভাইরাস সংক্রমণ রুখতে ২১ দিনের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ। বন্ধ দোকান, বাজার, কলকারখানা। আর এর ফলে সব থেকে ক্ষতি হচ্ছে দিনমজুর এবং দরিদ্রদের। দুবছরের ছেলেকে কাঁধে নিয়েগত দুদিন ধরে প্রায় অনাহারে হেঁটেই উত্তর প্রদেশে নিজেদের গ্রামের উদ্দেশ্যে ফিরছেন বান্টি নামে এক দিনমজুর, তাঁর স্ত্রী এবং পরিবারের অন্যরা। শুধু বান্টিই নয়, লকডাউনে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন সারা দেশের দিনমজুর, ভাগচাষি, চা শ্রমিকদের মতো মানুষরা যাঁদের রোজগার প্রতিদিনের পারিশ্রমিকের উপরই নির্ভরশীল। সব কিছু বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে কাজ হারিয়েছেন এই সব মানুষরা। কবে এই সমস্যা মিটবে সেই দিশা দিতে পারছে না সরকার। আর এই সব দরিদ্রদের পক্ষে টানা ২১ দিনের খাবার, ওষুধ মজুত করার সামর্থ্যও নেই। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, কেন্দ্রের অনেক আগেই উচিত ছিল দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে প্রথম থেকেই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া। কারণ ইওরোপ বা চীনের মতো অর্থনৈতিকভাবে উন্নত দেশগুলোর তুলনায় ভারতে যেহেতু গরিব মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি, সেহেতু তাঁদের বিষয়ে সবার আগে প্রাধান্য দেওয়া উচিত ছিল কেন্দ্রের। যা কার্যত এড়িয়ে গিয়েছে মোদি সরকার।  





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck