বাড়িতেই নামাজ পড়ার কথা বললেন দিল্লীর জামা মসজিদের শাহি ইমাম

27th March 2020 ভারত
বাড়িতেই নামাজ পড়ার কথা বললেন দিল্লীর জামা মসজিদের শাহি ইমাম


বারবার সতর্ক করেও কোনও লাভ হয়নি। মসজিদের গেট বন্ধ থাকার পরেও বাইরে নমাজ পড়তে ভিড় করছিলেন অনেক মানুষ। যার ফলে সংক্রমণ ছড়ানোর প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল দিল্লিতে। এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে এবার মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে বাড়িতে নমাজ পড়ার অনুরোধ জানালেন দিল্লির জামা মসজিদ (Jama Masjid) শাহী ইমাম সৈয়দ আহমেদ বুখারি ও ফতেপুরি মসজিদের ইমাম। শুক্রবার একটি সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় সৈয়দ আহমেদ বুখারি বলেন, জনসমাগম রুখতে চার-পাঁচদিন আগেই জামা মসজিদের তিনটি গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকী তিন-চারজনের বেশি যাতে গেটের বাইরে জমায়েত করতে না পারে তার দিকেও খেয়াল রাখা হচ্ছিল। কিন্তু, তারপরও অনেকে ফোন করে নমাজের বিষয়ে জানতে চাইছেন। তাঁদের আমি বলেছি বাড়িতে থেকেই নমাজ পড়তে। সবাইকে আমি অনুরোধ করছি দল বেঁধে মসজিদে না এসে বাড়িতেই থাকুন। আর সেখানেই জুম্মার নমাজও পড়ুন। এছাড়া আর কোনও উপায় নেই। রমজানের আর বেশি দেরি নেই। তা সত্ত্বেও দেশের রাজধানীতে জারি হওয়া নিষেধাজ্ঞার কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আশা করব সবাই বর্তমান সমস্যার কথা মাথায় রেখে কাজ করবেন।’





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck