জয়েন্টের প্রশ্ন ২০২১ সাল থেকে বাংলাতেও হবে

30th November 2019 ভারত
জয়েন্টের প্রশ্ন ২০২১ সাল থেকে  বাংলাতেও হবে


TARIF TV নিউজ:  শুক্রবার মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘‌আঞ্চলিক ভাষায় পরীক্ষার জন্য পশ্চিমবঙ্গ–‌সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীরা আবেদন জানিয়েছিলেন। এর পরেই বাংলা–‌‌সহ মোট ১১টি ভাষায় জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২০২১–‌এর জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় তা চালু হবে।’‌ কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের নির্দেশে এনটিএ ২০২১ থেকে বাংলা, অসমিয়া, ইংরেজি, গুজরাটি, হিন্দি, কন্নড়, মারাঠি, ওড়িয়া, তামিল, তেলুগু ও উর্দুতে পরীক্ষা নেবে। এত দিন ধরে সর্বভারতীয় পরীক্ষাটি হত ইংরেজি ও হিন্দি ভাষায়। সম্প্রতি এনটিএ জানিয়েছিল, ২০২০–‌তে ইংরেজি, হিন্দির পাশাপাশি গুজরাটি ভাষাতেও জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেইন পরীক্ষা নেওয়া হবে। এর পরেই বিতর্ক চরমে উঠেছিল। 
সূত্রের খবর, ২০২০ সালের জয়েন্ট এন্ট্রান্সের পরীক্ষা–‌সংক্রান্ত যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে। যার ফলে ২০২০–‌তে (‌‌ইংরেজি, হিন্দি, গুজারাটি বাদে)‌‌ অন্য ভাষায় প্রশ্নপত্র করা সম্ভব নয়। ফলে ২০২১–‌এর জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা ১১টি ভাষায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। কেবল গুজরাটি ভাষাকে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে অন্য ভাষার ওপর বঞ্চনার অভিযোগ উঠেছিল কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। এনটিএ অবশ্য দাবি করেছিল, রাজ্যগুলি এত দিন আঞ্চলিক ভাষায় পরীক্ষার জন্য কোনও আবেদনই জানায়নি।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck