করোনার চিকিৎসার সরঞ্জাম কিনতে রতন টাটা দিলেন অর্থ

29th March 2020 ভারত
করোনার চিকিৎসার সরঞ্জাম কিনতে রতন টাটা দিলেন অর্থ


TARIF TV; গোটা বিশ্বের ত্রাস এখন করোনা ভাইরাস। ভারতেও হু হু করে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে গোটা দেশে জারি লকডাউন। তা সত্ত্বেও কমছে না আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় তহবিল গঠন করেছে কেন্দ্র ও রাজ্যসরকারগুলি। সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আবেদনও করা হয়েছে। আর এর মধ্যেই দেশে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় এগিয়ে এল টাটা গোষ্ঠী। এই লড়াইয়ে পাশ থাকতে ‌১৫০০ কোটি টাকার অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করল টাটা ট্রাস্ট। শনিবার টুইট পোস্টে এমনই জানিয়েছেন টাটা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান রতন টাটা। করোনা মোকাবিলায় চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার জন্য এই অর্থ ব্যবহার হবে বলে জানিয়েছেন রতন টাটা। প্রাথমিকভাবে ৫০০ কোটি টাকার কথা ঘোষণা করলেও পরে অপর একটি টুইটে আরও ১০০০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়। করোনাভাইরাসের জেরে দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘‌কঠিনতম চ্যালেঞ্জ’‌ বলে মন্তব্য করেছেন রতন টাটা। টুইটে লিখেছেন, ‘‌কোভিড ১৯ এই মুহূর্তের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জ। অতীতেও দেশের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে টাটা ট্রাস্টস এবং টাটা গ্রুপ। এই মুহূর্তটাও অন্যান্য সবকিছুর থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’‌
এদিকে, ভারতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। শনিবার এখনও পর্যন্ত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়েছে।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck