মেদিনীপুরে বাজার এবার খোলা মাঠে, তবুও অসচেতন মানুষের ভিড়

30th March 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
মেদিনীপুরে বাজার এবার খোলা মাঠে, তবুও অসচেতন মানুষের ভিড়


এই সময়ে দূরত্ব রেখে বাজার করা উচিত। কিন্তু অনেকে তা করছিলেন না। ঘিঞ্জি বাজারগুলি মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল প্রশাসনের কাছেও। সব দিক দেখে শনিবার এক প্রশাসনিক বৈঠকে বাজারগুলি আশেপাশের মাঠে সরানোর সিদ্ধান্ত হয়। সেই মতো শহরের বিদ্যাসাগর বিদ্যাপীঠের (বালক) মাঠে সরেছে কোতোয়ালি বাজার। বাজার করতে এ দিন মাঠে এসেছিলেন শহরের প্রাক্তন নির্দল কাউন্সিলর বিশ্বেশ্বর নায়েক। বাড়ি ফেরার পথে বিশ্বেশ্বর বলছিলেন, ‘‘এই সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া উচিত ছিল।’’ রবিবার থেকে রাজাবাজার সরেছে কলেজ- কলেজিয়েট স্কুল মাঠে। গেটবাজার সরেছে বিধাননগর মাঠে। স্কুলবাজার সরেছে ধর্মশালার মাঠে (হীরক শিশু সঙ্ঘ)। মির্জাবাজার অবশ্য সরানো হয়নি। প্রশাসনের দাবি, এখানে দোকানগুলির মধ্যে অন্তত ২০ ফুট দূরত্ব রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিদর্শনে গিয়েও দূরত্ব রাখার আর্জি জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকেরা। অতিরিক্ত জেলাশাসক উত্তমকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘‘ফাঁকা ফাঁকা করে দাঁড়ান। একসঙ্গে ভিড় করবেন না।’’ পরে উত্তম বলছিলেন, ‘‘সবদিক দেখেই আমরা বাজারগুলি আশেপাশের মাঠে সরিয়েছি। জনস্বার্থেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।’’ 

কিন্তু ক্রেতাদের সকলে কি সচেতন? উত্তম বলেন, ‘‘এ নিয়ে সর্বস্তরে সচেতনতা গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে।’’ প্রশাসন সূত্রে খবর, খড়্গপুর, ঘাটালের মতো শহরগুলির বাজারও আশেপাশের মাঠে সরানোর পরিকল্পনা চলছে।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck