রাজ্যের পুলিশই ভিন রাজ্য থেকে আসা শ্রমিকদের আহার করাচ্ছেন

1st April 2020 পশ্চিমবঙ্গ
রাজ্যের পুলিশই ভিন রাজ্য থেকে আসা শ্রমিকদের আহার করাচ্ছেন


TARIF TV: লকডাউনের জেরে বাংলার বিভিন্ন জায়গায় আটকে থাকা ভিন্ রাজ্যের শ্রমিকদের চিহ্নিত করে দু’বেলা তাঁদের খাবারের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। নবান্ন সূত্রের খবর, লকডাউনের পরে যে-সব শ্রমিক এ রাজ্যে ঢুকেছেন, বাধ্যতামূলক ভাবে তাঁদের ১৪ দিনের কোয়রান্টিনে পাঠানো হয়েছে। রাজ্যে আটকে যাওয়া পরিযায়ী শ্রমিকদের মতো ভিন্্ রাজ্য থেকে আসা শ্রমিকদেরও থাকা, খাওয়া এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসন।

দিল্লি-সহ উত্তর ভারত থেকে হেঁটে আসা শ্রমিকেরা রবিবার থেকেই এ রাজ্যে ঢুকছেন। তাঁরা যাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মিশে না-যান, তার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্র। সেই অনুযায়ী বীরভূম-সহ বিভিন্ন জেলায় যত শ্রমিক এসেছেন, তাঁদের আলাদা করে কোয়রান্টিনে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। এক পুলিশকর্তা জানান, বীরভূমে ৫০০ শ্রমিককে কোয়রান্টিনে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার কেন্দ্রের তরফে পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরার উপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। তার পরে ফের একটি নির্দেশে দিল্লি বিভিন্ন রাজ্যকে জানায়, লকডাউনে বাড়ি ফিরতে না-পেরে রাস্তায় আটকে পড়া শ্রমিকদের থাকা, খাওয়া ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। সেই অনুযায়ী কলকাতা পুলিশ এবং সব জেলা পুলিশই মঙ্গলবার থেকে এই ব্যবস্থা চালু করেছে। 

লালবাজার ও নবান্ন জানায়, প্রতিটি থানা আটকে পড়া শ্রমিকদের আশ্রয়স্থল চিহ্নিত করেছে। মঙ্গলবার থেকেই ওই সব শ্রমিকের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে পুলিশের মাধ্যমে।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck