এগরার বিয়ে বাড়ি যোগে করোনায় আক্রান্ত আর এক বৃদ্ধ

2nd April 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
এগরার বিয়ে বাড়ি যোগে করোনায় আক্রান্ত আর এক বৃদ্ধ


সমরেস মাইতি [ এগরা ]; করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল এগরায়। কলকাতার করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা এগরার চিকিৎসকের আরও এক আত্মীয়ের শরীরে মিলল করোনাভাইরাসের উপস্থিতি। তাঁকে বুধবার সকালে কলকাতার বেলেঘাটা আই ডি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এই নিয়ে এগরায় করোনা যোগের সংখ্যাটা হল ৩। তবে এদিনই এগরায় বিয়েবাড়ির যোগে প্রথম করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে কলকাতার হাসপাতালে।  

গত ১২ মার্চ এগরার ওই চিকিৎসকের ছেলের বিয়েতে এসেছিলেন কলকাতার আক্রান্ত বৃদ্ধ। তাঁরা সম্পর্কে ভায়রাভাই। কলকাতার বৃদ্ধের সংস্পর্শে এসেছিলেন চিকিৎসকের এক জামাইবাবু (জ্যেঠতুতু দিদির স্বামী)। বছর সত্তরের ওই বৃদ্ধের গত ৩০ মার্চ জ্বর-সর্দি-কাশি শুরু হয়। ওই দিনই তাঁকে এগরা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। রাতে বৃদ্ধের লালারসের নমুনা পরীক্ষা করতে কলকাতায় পাঠানো হয়। গত মঙ্গলবার রাতে সেই রিপোর্ট পান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাতে দেখা যায়, বৃদ্ধ করোনায় আক্রান্ত। ওই বৃদ্ধ ছাড়াও চিকিৎসকের পরিবারের আরও তিন জনের নমুনা পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়েছিল। তাঁদের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck