দাসপুরের করোনা আক্রান্ত যুবকের বাবার দেহেও পাওয়া গেল করোনা ভাইরাস

2nd April 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
দাসপুরের করোনা আক্রান্ত যুবকের বাবার দেহেও পাওয়া গেল করোনা ভাইরাস


পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরে করোনায় আক্রান্ত যুবকের বাবার শরীরেও মিলল মারণ ভাইরাস। যুবক আক্রান্ত হওয়ার পরের দিন থেকেই মেদিনীপুর মেডিক্যালে ভরতি ছিলেন এই ব্যক্তি। একাধিক উপসর্গও ছিল তাঁর। নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা (CMOH) গিরিশচন্দ্র বেরা জানিয়েছেন, রিপোর্ট পজিটিভ। বৃহস্পতিবারই বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে পাঠানো হবে তাঁকে।

মেদিনীপুর মেডিক্যালে ভরতি করা হয়েছিল যুবকের বাবাকে। পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল তাঁকে। জ্বর-সর্দি সহ একাধিক উপর্সগ থাকায় তাঁর নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। রিপোর্টের অপেক্ষাতেই ছিলেন চিকিতসকরা। বুধবার গভীর রাতে আসা রিপোর্ট অনুযায়ী করোনা আক্রান্ত ওই ব্যক্তি, জানালেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। বৃহস্পতিবারই বেলেঘাটা আইডিতে নিয়ে যাওয়া হবে তাঁকে। পাশাপাশি, যুবকের পরিবারের বাকি সদস্য ও পরিজনদের উপর নজর রাখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। ৩৮ বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck