দেশে একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ৪০০

3rd April 2020 ভারত
দেশে একদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ৪০০


ক্রমশ ভয়াবহ আকার ধারণ করছে করোনা সংক্রমণ। ২১ দিনের টানা লকডাউনের মধ্যেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুয়ায়ী, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫৫ জনের। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ হারিয়েছেন ১২ জন। নতুন করে আক্রান্ত ৩২৮। মোট সংক্রমণের শিকার ১ হাজার ৯৬৫ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৫১। সংবাদসংস্থা অবশ্য জানাচ্ছে মৃতের সংখ্যা ৭৩। মোট আক্রান্ত ২ হাজার ৩৩১। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৪০০। বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রে মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ১৯। যা দেশে সর্বোচ্চ। এর মধ্যে একজন ধারাভির বাসিন্দা। তাঁর মৃত্যুর পর গোটা এলাকা সিল করে দেওয়া হয়েছে। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মধ্যপ্রদেশ। সেখানে এখনও পর্যন্ত আটজনের মৃত্যু হয়েছে। তৃতীয় স্থানে গুজরাত। সেখানে মৃত্যু হয়েছে সাতজনের। তালিকায় এরপরে রয়েছে পাঞ্জাব (৪), কর্ণাটক (৩), তেলেঙ্গানা (৩), পশ্চিমবঙ্গ (৩), দিল্লি (২), জম্মু ও কাশ্মীর (২), উত্তরপ্রদেশ (২) ও কেরল (২)। অন্ধ্রপ্রদেশ, হরিয়ানা, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, বিহার ও পাঞ্জাব- প্রতি রাজ্যের একজন করে মারা গিয়েছেন।
মৃত্যুর পাশাপাশি দীর্ঘ হচ্ছে আক্রান্তের তালিকাও। সেই তালিকাতেও শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র। ওই রাজ্যে মোট আক্রান্ত ৪১৬ জন। এরপরেই রয়েছে কেরল। সেখানে আক্রান্ত ২৬৫ জন। তামিলনাড়ুতে আক্রান্তের সংখ্যা ৩০৯। পিছিয়ে নেই দেশের রাজধানী দিল্লি। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছুঁয়েছে ২০৮। উত্তরপ্রদেশ ও কর্ণাটকে এখনও পর্যন্ত যথাক্রমে ১২১ জন ও ১১০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়াও রাজস্থানে ১৩৩ জন, মধ্যপ্রদেশে ৯৯ জন, তেলেঙ্গানায় ১০৭ জন, অন্ধ্রপ্রদেশে ১৩৫ জন, গুজরাতে ৮৭ জন ও জম্মু-কাশ্মীরে ৭০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। প্রয়োজনের সময় সরকারি হেল্পলাইন নম্বরগুলিতে লাইন না পাওয়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন অনেকে।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck