আগামী ৫ এপ্রিল আমাদের মহাশক্তি প্রকাশের দিনঃ মোদী

3rd April 2020 ভারত
আগামী ৫ এপ্রিল আমাদের মহাশক্তি প্রকাশের দিনঃ মোদী


TARIF TV: জনতা কার্ফু জারি করে দিনের শেষে থালা–বাসন–ঘন্টা বাজানোর পর এবার আলো নিভিয়ে মোমবাতি জ্বালানোর কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী যখন ভিডিও বার্তা দেওয়ার কথা বলেছিলেন, তখন থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল আবার নতুন করে কী বলবেন তিনি। অনেকেই ভেবে ফেলেন যে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর কথাই বলবেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু সেই ব্যাপারটা নিয়ে বিশেষ কিছু এদিন বলেননি প্রধানমন্ত্রী। বরং বলেন, ‘‌মোমবাতি জ্বালার সময় সোশ্যাল ডিসট্যানসিং মেনে চলুন।’‌
শুক্রবার সকাল ৯টায় পোস্ট করা ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘‌রবিবার রাত ৯টায় কিছুক্ষণের জন্য বাড়ির আলো নিভিয়ে দিন। বারান্দায় মোমবাতি জ্বালিয়ে সহমর্মিতা দেখান। করোনাভাইরাসের অন্ধকার থেকে আলোর পথে যেতে হবে আমাদের। à§« এপ্রিল রবিবার, রাত ৯ টায় ৯ মিনিট ধরে ঘরের সব à¦†à¦²à§‹ নিভিয়ে বারান্দায় দাঁড়িয়ে মোমবাতি, মোবাইলের আলো জ্বালান।’‌
তবে তিনি এটাও বলে দেন, ‘‌কেউ রাস্তায় বেরোবেন না। করোনাভাইরাসকে প্রতিহত করার একমাত্র উপায় হল সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা।’‌ উল্লেখ্য, গত ২২ à¦®à¦¾à¦°à§à¦š জনতা কার্ফুর দিন বিকেল পাঁচটায় থালা–বাসন বাজিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি সহমর্মিতা ঘোষণার কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু সে দিন বহু মানুষই রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন, যার ফলে জনতা কার্ফুর সুফল নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
যদিও এদিনও শুরুটা করেন একইভাবে। তিনি বলেন, ‘‌à§« এপ্রিল আমাদের মহাশক্তি প্রকাশের দিন। আমাদের সকলকে মহাশক্তি প্রকাশ করতে হবে। তাই à§« এপ্রিল মাত্র ৯ মিনিট আমাকে দিন। ঘরের বারান্দায় বা ছাদে দাঁড়িয়ে মোমবাতি জ্বালান। রবিবার, রাত ৯টায় ঘরের আলো বন্ধ করে মোমবাতি, টর্চের আলো, মোবাইলের আলো জ্বালান। করোনা মোকাবিলায় ভারত বিশ্বে নজির সৃষ্টি করেছে। করোনার সঙ্গে লড়াইয়ে আমরা কেউ একা নই।’‌ যদিও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যা দেশে বেড়েই চলেছে। সেখানে ভারত কী নজির সৃষ্টি করল?‌ তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck