লকডাউন চলাকালীন ১০ হাজার শিক্ষককে চাকরি থেকে বের করে দিল ত্রিপুরার বিজেপি সরকার

4th April 2020 ভারত
লকডাউন চলাকালীন ১০ হাজার শিক্ষককে চাকরি থেকে বের করে দিল ত্রিপুরার বিজেপি সরকার


ত্রিপুরাঃ  করোনার জেরে লকডাউন ঘোষনার পর থেকে উপার্জন নেই দেশের খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষদের। এবার চাকরি খোয়াতে হচ্ছে ত্রিপুরার কয়েক হাজার শিক্ষক–শিক্ষিকার৷ বাম আমলে চাকরি পেয়েছিলেন ১০ হাজার শিক্ষক। আজ তাঁরা কর্মহীন হতে চলেছেন!‌ বুঝতে পারছেন না তাঁরা বাকি জীবন কাটবে কী করে?‌ কোন অপরাধে এই শাস্তি তাও বুঝতে পারছেন না। 
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ত্রিপুরার তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের আমলে নিযুক্ত হন এই ১০ হাজার শিক্ষক৷ নিয়োগে বেনিয়মের অভিযোগ তুলে ত্রিপুরা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছিল মামলা৷ এবার চাকরি হারানোর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ওই শিক্ষকদের। ওই শিক্ষকদের চাকরিতে বহাল রাখতে বাম সরকার ১৩ হাজার শিক্ষাকর্মীর পদ তৈরি করে তাঁদের নিযুক্ত করেছিল৷
তারপর জল গড়িয়েছে অনেক। কাজ হারানোর আশঙ্কায় থাকা শিক্ষকদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিশ্রুতি দেয় তৎকালীন বিরোধী দল বিজেপি৷ কিন্তু সরকার বদলের পর এই লকডাউনের সংকটে তাঁদের চাকরিতে না রাখার কথা টুইট করে ঘোষনা করে দিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। ফলে প্রতিশ্রুতির কোনও মূল্য রইল না। দেশব্যাপী এই চরম সংকটের মাঝেই এককালীন ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে তাঁদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হল।
 





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck