ঝাড়গ্রামের করোনা হাসপাতাল মেদিনীপুরে

5th April 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
ঝাড়গ্রামের করোনা হাসপাতাল মেদিনীপুরে


মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ঝাড়গ্রামের করোনা হাসপাতাল হচ্ছে মেদিনীপুরে। মেদিনীপুর শহরতলির ফুলপাহাড়িতে সেন্ট জোসেফস্‌ হাসপাতাল রয়েছে। বেসরকারি এই হাসপাতালই করোনা হাসপাতালে রূপান্তরিত করা হচ্ছে। ঝাড়গ্রাম জেলার সন্দেহভাজনেরা এখানে ভর্তি হবেন। বিভিন্ন মহলের মতে, রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত নজিরবিহীন। কারণ, রাজ্যের অন্য সব জেলার করোনা হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট জেলাতেই হচ্ছে। ব্যতিক্রম একমাত্র আদিবাসী অধ্যুষিত ঝাড়গ্রাম।

শনিবার থেকেই মেদিনীপুর শহরতলির ওই হাসপাতালকে করোনা হাসপাতালে রূপান্তরিত করার কাজ শুরু হয়েছে। ঝাড়গ্রাম থেকে স্বাস্থ্যকর্মীরাও এসেছেন। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত ১৪জন স্বাস্থ্যকর্মী এসেছেন। ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক বা জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক কিছু বলতে চাননি। তবে জেলার জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ উজ্জ্বল দত্ত বলেন, ‘‘জেলায় এখনও করোনা আক্রান্তের খবর নেই। কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী মেদিনীপুরের হাসপাতাল বা বেলেঘাটায় পাঠানো হবে।’’ আর পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শ্যামপদ পাত্রের বক্তব্য, ‘‘জেলার জন্য আয়ুষ হাসপাতালকে করোনা হাসপাতালে রূপান্তরিত করা হয়েছে।’’ ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিকের মতে, ‘‘ঝাড়গ্রাম আদিবাসী এলাকা। সব দিক খতিয়ে দেখেই ঝাড়গ্রামের করোনা হাসপাতাল মেদিনীপুরে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।’’





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck