মিউজিক বাজিয়ে করোনা নিয়ে সচেতন করলেন মেদিনীপুর পুলিশ

8th April 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
মিউজিক বাজিয়ে করোনা নিয়ে সচেতন করলেন মেদিনীপুর পুলিশ


রাস্তায় আঁকা আলপনার মাধ্যমে সকলকে ঘরে থাকার আবেদন করলেন। নিয়ম মেনে চললে অদৃশ্য এই ভাইরাসের সঙ্গে লড়াইয়ে মানুষের জয় যে নিশ্চিত, এদিন শহরের রাস্তায় দাঁড়িয়ে আরও একবার সেটাই বোঝালেন পুলিশ আধিকারিকরা। করোনার জেরে স্তব্ধ গোটা বিশ্ব। ২১ দিন ঘরবন্দি থাকতে হবে এ রাজ্যের বাসিন্দাদেরও। একটানা বন্দি দশায় হাঁপিয়ে উঠছেন সকলেই। মানসিকভাবেও ভেঙে পড়ছেন অনেকে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যবাসীকে চাঙ্গা করতে প্রথমে কলকাতা পুলিশ, এরপর একে একে উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকার পুলিশ আধিকারিকরা গানকেই হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। কখনও গানের মাধ্যমে করোনাকে জয়ের আশ্বাস দিয়েছেন। কখনও আবার বেলা বোসের সুরে ২১ দিন ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা। এবার সেই পথেই হাঁটল মেদিনীপুর পুলিশ। মঙ্গলবার মেদিনীপুর শহরের গান্ধীমূর্তি এলাকায় সমবেত হয়ে করোনা সচেতনতায় সুরে তোলেন তাঁরা। পুলিশ আধিকারিকদের এই ভূমিকায় দেখতে পেয়ে পথচলতি দু-একজন থমকে দাঁড়ান। কেউ আবার বাড়ির ব্যালকনি থেকেই উপভোগ করেন। অনেকে ঘর থেকে বেড়িয়ে ক্যামেরা বন্দি করেন এই মুহূর্ত।

তবে শুধু গান নয়, মেদিনীপুরের মহকুমাশাসক দীননারায়ণ ঘোষের উদ্যোগে সচেতনতা মূলক কর্মসূচি হিসেবে শহরের এলআইসি মোড়, কেরানিতলা, বটতলা, পঞ্চুরচক, সিপাইবাজারের রাস্তায় ফুটিয়ে তোলা হয় আলপনা। সেই ছবির মাধ্যেমও করোনা সম্পর্কে সচেন করা হয় সকলকে। প্রশাসনের নির্দেশ মেনে আগামী কয়েকটা দিন ঘরেই থাকার পরামর্শ দেন। সমস্ত নির্দেশ পালন করলেই সংক্রমণ এড়ানো সম্ভব, বিভিন্নভাবে এই বক্তব্যই এলাকাবাসীদের সামনে তুলে ধরেন তাঁরা। করোনা মোকাবিলায় জেলায় জেলায় পুলিশের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান মেদিনীপুরবাসীও।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। ৩৮ বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck