সারা ভারতে লকডাউনের সময়সীমা বাড়ার ইঙ্গিত মোদীর

8th April 2020 ভারত
সারা ভারতে লকডাউনের সময়সীমা বাড়ার  ইঙ্গিত মোদীর


দিল্লীঃ দেশে লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধির সম্ভাবনা। বুধবার দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের সংসদীয় নেতাদের সঙ্গে ভিডিয়ো কনফারেন্সে এমন ইঙ্গিতই দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এ দিনের ওই ভিডিয়ো বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী গোটা দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা করেন। সংসদীয় নেতাদের কাছ থেকেও তিনি জানতে চান, তাঁদের কী অভিজ্ঞতা এবং করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাঁদের কী পরামর্শ।

সূত্র্রের খবর, পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক ওই নেতাদের বলেন, ‘‘গোটা দেশ এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। অনেকটা জাতীয় জরুরি অবস্থার মতো পরিস্থিতি। সেখানে দেশের প্রয়োজনে, দেশবাসীর প্রয়োজনে বেশ কিছু অপ্রত্যাশিত সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।” এ দিন ভিডিয়ো কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘সবার পরামর্শ শুনে মনে হচ্ছে, লকডাউন প্রত্যাহার করা খুব একটা সহজ নয়। আমাদের আধিকারিকরা জেলা স্তর পর্যন্ত যোগাযোগ রাখছেন। সেখান থেকেও যে অভিজ্ঞতার কথা জানা যাচ্ছে বা গোটা বিশ্বের যা অভিজ্ঞতা তাতে, লকডাউনেই সবাই আস্থা রেখেছেন করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে। মানুষের প্রাণ রক্ষা করতে।”





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck