লকডাউনের সময়সীমা বাড়বে , সর্বদলীয় বৈঠকের পর জানালেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

9th April 2020 ভারত
লকডাউনের সময়সীমা বাড়বে , সর্বদলীয় বৈঠকের পর জানালেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়


ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে সর্বদলীয় বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী । প্রথমে এই বৈঠকে যোগ দিতে আপত্তি জানিয়েছিল তৃণমূল । যদিও শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজ্যের শাসক দলের প্রতিনিধি হিসেবে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় হাজির হন বৈঠকে । জানা গেছে, রাজনীতি ভুলে কোরোনা মোকাবিলায় সবাইকে এক ছাতার তলায় শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মোদি । বৈঠকে লকডাউন বাড়ানোর কথা জানিয়ে দিয়েছেন তিনি । রাজ‍্যের তরফে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় মাস্ক, স্যানিটাইজ়ার, PPE-সহ একাধিক জিনিসের দাবি জানান । পাশাপাশি রাজ্যের প্রাপ্য অর্থেরও দাবি জানিয়েছেন তিনি । জানা গেছে, কেন্দ্রের কাছে 51 হাজার কোটি টাকার দাবি জানিয়েছেন তিনি ।  সর্বদলীয় বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রিপোর্ট দেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানান, লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ৷





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck