খড়্গপুরের রেল ওয়ার্কশপে তৈরি হচ্ছে ১৬০টি আইসোলেশন কোচ

10th April 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
খড়্গপুরের রেল ওয়ার্কশপে তৈরি হচ্ছে ১৬০টি আইসোলেশন কোচ


করোনা আক্রান্তদের জন্য ট্রেনের কোচকে এবার মোবাইল আইসোলেশন ওয়ার্ডে রূপান্তরিত করছে রেল। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়্গপুর রেল ওয়ার্কশপে এজন্য ১৬০টি ঩বিশেষ কোচ তৈরি করা হচ্ছে। এক একটি কোচে আটজন করে রোগী থাকতে পারবেন। ইলেকট্রিক এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আধিকারিক ও কর্মীরা এই কোচ তৈরির জন্য দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন। ৮৬টি কোচ ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, আর দু’দিনের মধ্যে বাকি কোচ তৈরির কাজ শেষ হয়ে যাবে। তারপর যখন যেখানে প্রয়োজন পড়বে, সেখানেই এই কোচ পৌঁছে যাবে। শুধু খড়্গপুর ওয়ার্কশপেই নয়, দক্ষিণ-পূর্ব রেলের সাঁতরাগাছিতে ৮৯টি, হাতিয়ায় ৬০ ও টাটানগরে এরকম ২০টি কোচ তৈরি করা হচ্ছে। এই সব কোচ দেশের যেকোনও প্রান্তে যাবে।
খড়্গপুরের চিফ ওয়ার্কস ম্যানেজার শুভেন্দুকুমার চৌধুরী বলেন, করোনা মোকাবিলায় রেল তাদের হাসপাতাল, হস্টেল, আরপিএফ বারাকে আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি করেছে। এবার ট্রেনের কোচে মোবাইল আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি করা হচ্ছে। সারা দেশে এরকম ৫০০০ কোচ তৈরি হবে। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের অধীনে ৩২৯টি কোচ তৈরি হচ্ছে। এর মধ্যে আমরা খড়্গপুর ওয়ার্কশপে ১৬০টি কোচ তৈরি করছি। এখানে প্রায় ২০০ কর্মী কাজ করছেন। আছেন বিভাগীয় আধিকারিকরাও। কর্মীরা তাঁদের সময়ের বাইরে স্বেচ্ছাশ্রমও দিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই আমরা অর্ধেক কোচ তৈরি করে ফেলেছি। তিনি বলেন, দূরপাল্লার ট্রেনের ১৫-২০ বছরের পুরানো কোচকেই মূলত এই কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি কেটে গেলে আবার কোচগুলিকে যাত্রীবাহী কোচে রূপান্তরিত করে দেওয়া হবে।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck