সাইকেলে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই সন্তান প্রসব

12th April 2020 ভারত
সাইকেলে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই সন্তান প্রসব


লকডাউনের জেরে বন্ধ যান চলাচল। এই অবস্থায় সাইকেলে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় মাঝপথে সন্তানের জন্ম দিলেন এক মহিলা। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুরের রঘুনাথপুর গ্রামে। অপরদিকে মহারাষ্ট্রের আলিবাগে অসুস্থ এক সদ্যোজাতকে নিজের বাইকে করে হাসপাতালে ভর্তি করে তার প্রাণ বাঁচালেন এক চিকিৎসক।
শাহজাহানপুরের পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) অপর্ণা গৌতম বলেন, রঘুনাথপুরের বাসিন্দা ওই মহিলার প্রসব বেদনা ওঠার পর তাঁর স্বামী সাইকেলে করে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন। বাড়ি থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে মদনপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার পথেই কন্যাসন্তানের জন্ম দেন ওই মহিলা। এরপর স্থানীয় এক মহিলা পুলিসের টহলদারি গাড়িকে খবর দিলে তারাই ওই মহিলা ও তাঁর সন্তানকে দ্রুত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান। পুলিস সুপার বলেন, ‘কাছেই মাঠে কাজ করছিলেন মিঠু তোমার নামে এক মহিলা। তাঁর সাহায্যেই মদনপুর কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয় ওই মহিলাকে।’ মা ও শিশু দু’জনেই বর্তমানে সুস্থ রয়েছেন এবং মিঠু তোমারকে একটি শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে বলে জানান পুলিস সুপার। এদিকে শুক্রবার সকালে শ্বেতা প্যাটেল নামে এক মহিলা আলিবাগের একটি নার্সিংহোমে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। জন্মগ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যে শিশুটির শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। তড়িঘড়ি তাকে আইসিইউ-তে ভর্তি করতে বলেন চিকিৎসকরা। কিন্তু, ওই নার্সিংহোমে সেই ব্যবস্থা ছিল না। কিন্তু, লকডাউনের জেরে যান চলাচল বন্ধ থাকায় নার্সিংহোমেরই এক চিকিৎসক তাঁর বাইকে করে দেড় কিলোমিটার দূরে মুম্বইয়ের কাছে একটি হাসপাতালে ওই সদ্যোজাতকে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন। ওই সদ্যোজাতের অবস্থা এখন স্থিতিশীল। সে খুব শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck