রাজ্যেই ১০০ দিনের কাজে কমেছে ৬ কোটি কর্মদিবস

14th April 2020 পশ্চিমবঙ্গ
রাজ্যেই ১০০ দিনের কাজে কমেছে ৬ কোটি কর্মদিবস


কলকাতা: রাজ্যে ১০০ দিনের কাজে একধাক্কায় ৬ কোটি কর্মদিবস কমিয়ে দিল কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক। গত দু’টি আর্থিক বছরে কর্মদিবস বা শ্রমদিবসের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৮ কোটি। ২০২০-’২১ অর্থাৎ চলতি আর্থিক বছরে সেই শ্রমদিবসের লক্ষ্যমাত্রা ২৮ কোটি থেকে কমিয়ে করা হল ২২ কোটি। যার ফলে এ রাজ্যের লক্ষ লক্ষ পরিবারের কাজ না-পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন নবান্ন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বলেছেন, করোনার কোপ পড়েছে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পেও। ওই কাজের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকদের দু’মাসের অগ্রিম মজুরি দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
কিন্তু, মমতার দাবির বিপরীতে হেঁটে কেন্দ্র ওই প্রকল্পে ৬ কোটি কর্মদিবস ছাঁটাইয়ের কথা জানানোয় বিষয়টি উদ্বেগের হয়ে দাঁড়িয়েছে। নবান্ন সূত্রে খবর, কর্মদিবস ছাঁটাইয়ের কথা জানিয়েছে কেন্দ্র। যা দেখে মাথায় হাত পড়েছে রাজ্যের পঞ্চায়েত দপ্তরের কর্তাদের। এমনিতেই করোনার প্রভাবে অসংগঠিত ক্ষেত্রে মানুষের রুজিরুটির সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় ১০০ দিনের কাজে বরাদ্দ কাটছাঁট করা হলে গ্রামের মানুষের দুর্দশার অন্ত থাকবে না। যদিও এই প্রকল্পে মজুরি বাড়ানোর কথা জানিয়েছে কেন্দ্র। ১৮২ টাকা থেকে বাড়িয়ে তা ২০০ টাকা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু, তাতে আখেরে কোনও লাভ হবে না বলে রাজ্যের পঞ্চায়েত কর্তারা মনে করছেন।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.à§­ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল à§§à§®.à§§ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck