ভারত ‘হিন্দুরাষ্ট্র’! মন্তব্য বিজেপি সাংসদ রবি কিষেণের

5th December 2019 ভারত
ভারত ‘হিন্দুরাষ্ট্র’! মন্তব্য বিজেপি সাংসদ রবি কিষেণের


বাংলা নিউজঃ  ভারতকে ‘হিন্দুরাষ্ট্র’ বলে বিতর্ক বাড়ালেন বিজেপি সাংসদ রবি কিষেণ। তাঁর কথায়, ভারতবর্ষে ১০০ কোটি হিন্দু রয়েছেন তাই এটা হিন্দুরাষ্ট্র। 

প্রসঙ্গত, বুধবার সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ শুরু হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক। বৈঠকে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের খসড়া পেশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সর্বসম্মতিক্রমে খসড়াটি ছাড়পত্র পায় বলে। সরকারের প্রস্তাবিত বিলটি আসলে ১৯৫৫-র নাগরিকত্ব আইনের সংশোধিত খসড়া। এর মূল বক্তব্য হল, তিনটি প্রতিবেশী দেশ থেকে আগত অমুসলিম শরণার্থীদের ভারতের নাগরিকত্ব দিতে হবে। পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে আগত ৬টি অমুসলিম জাতি হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, শিখ, পার্সি এবং জৈন ধর্মাবলম্বীদের নাগরিকত্ব দেবে ভারত। মুসলিম অনুপ্রবেশকারীরা এ দেশের নাগরিকত্ব পাবে না।

এই প্রসঙ্গেই গতকাল সংসদের বাইরে সংবাদ সংস্থা এএনআইকে রবি কিষেণ বলেন, ‘ভারতে হিন্দুদের জনসংখ্যা ১০০ কোটি। স্বাভাবিকভাবেই এটা হিন্দুরাষ্ট্র। বিশ্বে অনেক মুসলিম-খ্রিস্টান দেশ রয়েছে। সেটা হলে হিন্দুরাষ্ট্র কেন হতে পারে না?’ এরপরই বিরোধীদের আক্রমণ করে তাঁর মন্তব্য, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে পাগল হয়ে গিয়েছে বিরোধীরা। বিশেষ করে কংগ্রেস যেখানে এই বিলে মুসলিমদের টার্গেট করা হচ্ছে বলে সরব হয়েছে, সেখানে বিলের সমর্থনে দেশকে হিন্দুরাষ্ট্র তকমা দিয়ে দিলেন বিজেপি সাংসদ।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck