লকডাউনে চটকল খোলার অনুমতি রাজ্যের

15th April 2020 পশ্চিমবঙ্গ
লকডাউনে চটকল খোলার অনুমতি রাজ্যের


লকডাউন চললেও রাজ্যে কিছু চটকল এখনই খোলা দরকার। যথাযথ সুরক্ষা বজায় রেখে প্রয়োজন উৎপাদনও শুরু করা। এই মর্মে রাজ্যকে মঙ্গলবার চিঠি পাঠান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। এই চিঠিতে অবিলম্বে রাজ্যের কিছু চটকলে উৎপাদন শুরু করার আরজি জানান বস্ত্রমন্ত্রী। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে আজ মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সবকটি চটকল খোলার অনুমতি দিলেন। প্রোটোকল মেনে শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানোর কথাও জানান। ইতিমধ্যেই দেশে রবিশস্য কাটা শুরু করে দিয়েছেন কৃষকরা। এখন প্রয়োজন প্রচুর চটের বস্তার। কিন্তু লকডাউনে উৎপাদন বন্ধ থাকায় বস্তার চাহিদা বেড়েছে। এখনই উৎপাদন শুরু না করলে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে কিছু চটকল খুলে উৎপাদন শুরু করা হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। চিঠিতে বলা হয়েছে, রাজ্যের ১৮টি চটকলে ২৫ শতাংশ শ্রমিককে কাজে লাগিয়ে এখনই উৎপাদন শুরু করা হোক। তা না হলে খাদ্যশস্য প্যাকেজিংয়ের সমস্যা তৈরি হবে। জুট এবং জুট টেক্সটাইল ভারতের আইন অনুসারে জরুরি পণ্যের মধ্যে পড়ে। একই সঙ্গে আইন অনুসারে দেশে খাদ্যশস্য প্যাকেজিংয়ের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ চটের বস্তা ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে। এখন যা পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে তাতে প্রচুর পরিমাণে চটের বস্তা প্রয়োজন খাদ্যশস্য প্যাকেজিংয়ের জন্য। এপ্রিল ও মে মাসে সেই চাহিদা আরও অনেক বাড়বে বলে জানিয়েছে খাদ্য ও খাদ্য সরবরাহ বিভাগ। তাই প্রয়োজন অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.à§­ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল à§§à§®.à§§ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck