লকডাউনে বহিরাগতদের ঠেকাতে বন্ধ করা হল গ্রামে ঢোকার রাস্তা

16th April 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
 লকডাউনে বহিরাগতদের ঠেকাতে বন্ধ করা হল গ্রামে ঢোকার রাস্তা


মেদিনীপুর: লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পরও বহিরাগতরা এসে প্রায়ই এলাকায় দাপিয়ে বেড়াত। করোনার প্রতিরোধে এলাকার যুবকরা রাস্তায় বাঁশ দিয়ে বহিরাগতদের গ্রামে ঢোকা বন্ধ করে দিলেন। মেদিনীপুর সদর ব্লকের কঙ্কাবতী পঞ্চায়েতের গোলাপীচক এলাকায় গেলে দেখা যাবে বাঁশ দিয়ে তৈরি একাধিক ব্যারিকেড। করোনা নিয়ে প্রশাসনকে এই এলাকায় খুব বেশি প্রচার করতে হয়নি। এলাকার মানুষ নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে গোটা এলাকায় এখন নিয়ম মেনে লকডাউন পালন করছেন। খুব প্রয়োজন ছাড়া গ্রাম থেকে কেউ বাইরে যাচ্ছেন না। বাইরের কেউ ভিতরে আসছে কি না, সে ব্যাপারে রাত পর্যন্ত নজরদারিও চালাচ্ছেন এলাকার যুবকরা।
মেদিনীপুর শহর থেকে ঢিলছোঁড়া দূরত্বে এই গোলাপীচক গ্রাম। গ্রামে প্রায় ৫০০ পরিবার বসবাস করে। গত ২৩ মার্চ লকডাউন ঘোষণার পরও মেদিনীপুর শহর সহ আশপাশের এলাকা থেকে ছেলেরা বাইক হাঁকিয়ে এই গ্রামে আসত। গ্রাম লাগোয়া একটি জঙ্গলে নেশাও করত বলে অভিযোগ। তাতে স্থানীয় কয়েকজনও যোগ দিত। এলাকার লোকজন বলার পরও কোনও কাজ হয়নি। এমনকী, পুলিস প্রশাসনকেও অভিযোগ জানানো হয়। অভিযোগ পেয়ে পুলিস টহল দিত। কিন্ত, পুলিস চলে গেলে‌ই পরিস্থিতি সেই আগের মতো হয়ে যেত।
বহিরাগতদের দাপাদাপির জেরে এই গ্রামে লকডাউন ঠিকমতো পালন হচ্ছিল না। ফলে, গ্রামবাসীরা আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন। কয়েকদিন আগে গ্রামের যুবকরা উদ্যোগী হয়ে গ্রামে ঢোকার বেশ কয়েকটি জায়গায় বাঁশ দিয়ে আটকে দেন। বাঁশের ব্যারিকেডের উপর পিচবোর্ডে লাল কালিতে লেখা, ‘ বাইরের মানুষের প্রবেশ নিষেধ’।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck