লকডাউন এর জন্য পুলিশ অটো আটকাতে অসুস্থ বাবাকে কোলে নিয়ে হেঁটে নিয়ে বাড়ি ফিরল ছেলে

16th April 2020 ভারত
লকডাউন এর জন্য পুলিশ অটো আটকাতে অসুস্থ বাবাকে কোলে নিয়ে হেঁটে নিয়ে বাড়ি ফিরল ছেলে


করোনা থেকে বাঁচতে মানুষকে ঘরে থাকার বার্তা দিচ্ছে পুলিশ–প্রশাসন। জারি হয়েছে লকডাউন। কিন্তু এই লকডাউনের জেরেই মাঝেমধ্যে সমস্যায় পড়ছে জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া সাধারণ মানুষ। তারই এক নিদর্শন মিলল কেরলে। অসুস্থ বাবাকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরিয়ে আনতে গিয়ে নাকানিচোবানি খেতে হল এক যুবককে। পুলিশকে বলেও লাভ হয়নি। অবশেষে ৬৫ বছরের বৃদ্ধকে কোলে তুলে বাড়ির পথে রওনা দেন যুবক।
৬৫ বছরের ওই বৃদ্ধ কেরলের কোল্লামের কুলাথুপুজা গ্রামের বাসিন্দা। বয়সজনিত সমস্যার কারণে পুনালুর তালুক হাসপাতালে বেশ কিছুদিন ধরে ভর্তি ছিলেন তিনি। বুধবার তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু লকডাউনের জেরে বন্ধ যানবাহন। ফলে বাবাকে বাড়ি নিয়ে যেতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন ছেলে। এদিকে বাবার পরিস্থিতি ভাল নয় যে তিনি হেঁটে গ্রামে ফিরতে পারবেন। রাস্তাও অনেকটা। শেষে অতিকষ্টে একটি অটোরিকশা জোগাড় হয়।
কিন্তু কিছুটা রাস্তা আসার পরই বাদ সাধে পুলিশ। জানায়, লকডাউনের মধ্যে চলবে না অটো। যুবক বারবার পুলিশকে বোঝানোর চেষ্টা করে তাঁরা হাসপাতাল থেকে ফিরছেন। প্রমাণস্বরূপ হাসপাতালের নথিও দেখান তিনি। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার নাছোড়। কোনওভাবেই অটোরিকশা ছাড়েননি তিনি। একপ্রকার বাধ্য হয়েই বাবাকে কোলে তুলে যুবক রওনা দেন গ্রামের উদ্দেশ্যে। প্রায় এক কিলোমিটার পথ এভাবেই বাবাকে কোলে নিয়ে হাঁটেন তিনি। ঘটনার ছবি নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কেরলের রাজ্য মানবাধিকার কমিশন একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছে।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck