হাসপাতালে মৃত্যু উন্নাওয়ের অগ্নিদগ্ধ ধর্ষিতার

7th December 2019 ভারত
হাসপাতালে মৃত্যু উন্নাওয়ের অগ্নিদগ্ধ ধর্ষিতার


বাংলা নিউজঃ এক বছর আগে উত্তরপ্রদেশের উন্নাওয়ের গ্রামে গণধর্ষণ করা হয় বছর তেইশের ওই যুবতীকে। সেই ঘটনা ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ। পরে স্থানীয় আদালতের নির্দেশে গ্রামেরই দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। যদিও সে কিছুদিনের মধ্যেই জামিনও পেয়ে যায়। আদালতে যাওয়ার পথে তাঁকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে সেই অভিযুক্তরাই।

বৃহস্পতিবার ভোর রাতে গণধর্ষণ মামলার শুনানির জন্য উন্নাও থেকে রায়বরেলি যাচ্ছিলেন ওই যুবতী। কাকভোরে বাইশওয়াড়া বিহার স্টেশনের দিকে রওনা হতেই হরিশংকর ত্রিবেদী, শুভম, কিশোর, শিবম ও উমেশ তাঁর পথ আটকায়। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তরা প্রথমে ওই যুবতীর মাথায় আঘাত করে, পরে গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপও মারে। আঘাতের চোটে মাটিতে পড়ে যেতেই তাঁর গায়ে পেট্রল ঢেলে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় সাহায্যর জন্য চিৎকার করতে করতে ছুটতে থাকেন। অবশেষে প্রায় এক কিলোমিটার পর তিনি রবীন্দ্রপ্রকাশ সিংয়ের দেখা পান।তাঁর ফোন নিয়ে পুলিশকে ফোন করেন । পুলিশ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় ।  দিল্লির হাসপাতালেই মৃত্যু হয় উন্নাওয়ের নির্যাতিতার। শুক্রবার সকাল থেকেই অবস্থার অবনতি হতে থাকে তাঁর। রাত ১১টা ৪০ মিনিট নাগাদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান অগ্নিদগ্ধ তরুণী।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck