অলিভ রিডলে প্রজাতির কচ্ছপ উদ্ধারের ঘটনায় শোরগোল ছড়াল মেচেদায়।

7th December 2019 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
অলিভ রিডলে প্রজাতির কচ্ছপ উদ্ধারের ঘটনায় শোরগোল ছড়াল মেচেদায়।


বাংলা নিউজঃ শুক্রবার সকাল ৬টা নাগাদ মেচেদার এক নম্বর মিনি মার্কেটের মাছের আড়তে এক মৎস্যজীবী ওই কচ্ছপ বিক্রি করতে আসেন। ব্যাগ থেকে সেটিকে বের করার পর মাছ ব্যবসায়ীরা বুঝতে পারেন এটি সামুদ্রিক কচ্ছপ। কচ্ছপ বিক্রি আইনত অপরাধ। তাই অন্য মাছ ব্যবসায়ীরা ওই মৎস্যজীবীকে বসিয়ে রেখে খবর দেন বন দফতরে। ততক্ষণে প্রায় ১৬ কিলোগ্রাম ওজনের কচ্ছপটিকে দেখতে ভিড় জমে যায় বাজারে। ভিড়ের সুযোগ নিয়ে ওই মৎস্যজীবী সেখান থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ।

খবর পেয়ে বন দফতরের পাঁশকুড়া রেঞ্জের ডেপুটি রেঞ্জার অনির্বাণ মিত্র ও বনকর্মী অতুলচন্দ্র ভৌমিক পৌঁছে যান মেচেদায়। তাঁরা কচ্ছপটি অলিভ রিডলে প্রজাতির বলে জানান। এর পর বন দফতরের পক্ষ থেকে কচ্ছপটিকে নিয়ে শঙ্করপুর ও তাজপুরের মাঝামাঝি জায়গায় সমুদ্রে ছেড়ে দেওয়া হয়। ডেপুটি রেঞ্জার অনির্বাণ মিত্র বলেন, ‘‘সমুদ্রে ছাড়ার সময় কচ্ছপটি বেশ চাঙ্গা ছিল। মনে হচ্ছে এটিকে কয়েক ঘণ্টা আগেই ধরা হয়েছিল। এলাকার  মানুষকে ধন্যবাদ, ওঁরা কচ্ছপটিকে বিক্রি হয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করেছেন। এটা বন দফতরের প্রচারের সুফল।’’





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। ৩৮ বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck