ভারত মুসলিমদের কাছে স্বর্গ , বললেন বিজেপি নেতা মুখতার আব্বাস নকভি

22nd April 2020 ভারত
ভারত মুসলিমদের কাছে স্বর্গ , বললেন বিজেপি নেতা মুখতার আব্বাস নকভি


দিল্লীঃ  করোনা পরিস্থিতিকে সামনে রেখে ভারতে ‘ইসলাম-ভীতি’ ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ শুরু করেছিল অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি)। তার জবাবে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু উন্নয়নমন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, এ দেশ মুসলিমদের কাছে স্বর্গ। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, অনেকে এ নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং ষড়যন্ত্র করছে।

এ দিন সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে নকভি বলেন, ‘‘ভারতের মুসলিমরা সমৃদ্ধশালী। যারা এই পরিবেশকে কলুষিত করার চেষ্টা করে তারা তাঁদের বন্ধু হতে পারে না।’’ নকভির কথায়, ‘‘সংখ্যালঘু-সহ দেশের সমস্ত নাগরিকের সাংবিধানিক, সামাজিক ও ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত রয়েছে।’’

ওআইসি-র তরফে তোলা অভিযোগের জবাবে নকভি এ দিন বলেন, ‘‘আমরা দৃঢ় চিত্তে আমাদের কাজ করে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী যখন বলেন, তখন তিনি ১৩০ কোটি নাগরিকের অধিকার ও কল্যাণের কথাই বলেন। যদি কেউ এটা দেখতে না-পান, তা হলে এটা তাঁদের সমস্যা।’’ তাঁর মতে, ধর্মীয় নিরপেক্ষতা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ‘রাজনৈতিক ফ্যাশন’ নয়, তা ভারত এবং ভারতবাসীর কাছে ‘রাজনৈতিক প্যাশন’।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck