ডাক্তার-স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলায় ৭ বছর পর্যন্ত জেল

23rd April 2020 ভারত
ডাক্তার-স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলায় ৭ বছর পর্যন্ত জেল


নয়াদিল্লি, à§¨à§¨ এপ্রিল: করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে নিরন্তর লড়াই করে রোগীদের শুশ্রূষা এবং পরিষেবা প্রদান করা চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর কোনওরকম আক্রমণ হলে, হামলাকারীর বিরুদ্ধে জামিনঅযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী à§© মাস থেকে à§­ বছরের জেল হবে। একইসঙ্গে ৫০ হাজার টাকা থেকে à§« লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানাও দিতে হবে। ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীদের গাড়ি ভাঙচুর, ক্লিনিক কিংবা চিকিৎসা কেন্দ্রের ক্ষতিসাধন করা হলে দ্বিগুণ ক্ষতিপূরণ আদায় করা হবে হামলাকারীদের কাছ থেকে। আজ কেন্দ্রীয় সরকার এই মর্মে একটি অর্ডিন্যান্স জারি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকেই এই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। তবে এই সংশোধিত আইন যেহেতু এপিডেমিক ডিজিজ অ্যাক্ট অনুযায়ী বলবৎ করা হচ্ছে, তাহলে কি শুধুমাত্র করোনার সময়কালের জন্যই প্রযোজ্য? এই প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী প্রকাশ জাভরেকর বলেছেন, আপাতত করোনার সঙ্কটের সময়ই এই আইন প্রযোজ্য। কিন্তু এটা সূত্রপাত বলা যায়। অর্থাৎ আগামীদিনে এই আইন স্থায়ী রূপ পেতে পারে বলেই তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
আজ সকালেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন। ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে কেন্দ্রকে আগেই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। যেভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটছে সেটা মেনে নেওয়া যায় না। প্রতিবাদ হিসেবে একদিনের কর্মবিরতির হুমকিও দেওয়া হয়। এই প্রেক্ষিতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আজ ডাক্তারদের সংগঠনকে আশ্বাস দেন, সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। চিকিৎসক সংগঠনও সেই প্রতিশ্রুতি পেয়ে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে। এরপরই আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। সেই বৈঠকেই স্থির হয়, চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীদের এই সঙ্কটের সময়ে সর্বাগ্রে সুরক্ষা প্রদান করা প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই এপিডেমিক ডিজিজ অ্যাক্টের সংশোধন করে অর্ডিন্যান্স আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck