লোকসভায় পাশ নাগরিকত্ব বিল , বিরোধী দলগুলিরও সমর্থন

10th December 2019 ভারত
লোকসভায় পাশ  নাগরিকত্ব বিল , বিরোধী দলগুলিরও সমর্থন


TARIF TV: সোমবার মধ্যরাতে লোকসভায় পাশ হল নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (সিএবি)।  রাত তখন ১২টা বেজে গিয়েছে। আজ লোকসভায় আলোচনা ও ভোটাভুটিতে সংযুক্ত জনতা দল, বিজু জনতা দল, শিবসেনা, এআইডিএমকে তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি ইত্যাদি এনডিএর বাইরে থাকা দলগুলিও নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলকে সমর্থন করেছে। সুতরাং বার্তা স্পষ্ট, এই দলগুলির সমর্থন পেয়ে রাজ্যসভায় বিল অনুমোদনের পক্ষে সংখ্যা জোগাড় করে নেওয়া স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। আজ ওই বিল নিয়ে নিজের বক্তব্য শেষ করার সময়েই শাহ জানিয়ে দেন, খুব দ্রুত গোটা দেশে জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) আনা হবে।

পক্ষে ভোট দেয় - বিজেপি, অকালি, শিবসেনা, বিজেডি, ওয়াইএসআর কংগ্রেস, জেডি-ইউ 

বিপক্ষে ভোট দেয় - কংগ্রেস, তৃণমূল, ডিএমকে, এনসিপি, সিপিএম, সিপিআই, মুসলিম লিগ, এমআইএম, তেলঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি । 

 নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, খ্রিস্টান, পার্সি সম্প্রদায়ের তাবৎ ধর্মের বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের কাছে বৈধ কোনও নথি না থাকলেও, প্রত্যেককে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। অর্থাৎ দেওয়া হবে না শুধুমাত্র মুসলিমদের।আজ সাত ঘণ্টার বিল নিয়ে আলোচনার শেষে যখন ভোটাভুটি হয় তখন ঘড়ির কাঁটা মাঝরাত পেরিয়ে গিয়েছে। বিরোধীরা যখন বলছেন, এক মধ্যরাতে স্বাধীনতা পেয়েছিল ভারত। আর এক মধ্যরাতে তা হারাল। লোকসভায় সিএবি পাশের পরে সমস্ত বিরোধী দল ও শাহকে অভিনন্দন জানান নরেন্দ্র মোদী। সরকারি সূত্রে খবর, আগামী বুধবার রাজ্যসভায় নাগরিকত্ব বিল পেশ করবে সরকার। 

 





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck