আজ থেকে খোলা যাবে দোকান- পাট , জানাল কেন্দ্র

25th April 2020 ভারত
আজ থেকে খোলা যাবে দোকান- পাট , জানাল কেন্দ্র


বড়সড় ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। এখন থেকে শর্তসাপেক্ষে জরুরি পরিষেবা এবং নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি ছাড়াও খোলা যাবে দোকানপাঠ। শুক্রবার রাতে নির্দেশিকা জারি করে নিত্যপ্রয়োজনীয় নয় এমন পণ্যের দোকানও খোলার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্র। তবে এখনও শপিং মল বা সুপার মার্কেট খোলার অনুমতি দেওয়া হয়নি।  Ministry of Home Affairs তরফে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, পুরসভা এলাকার বাইরে বসতিপূর্ণ এলাকা ও বাজার এলাকায় এখন থেকে দোকানপাঠ খোলা যাবে। শপস অ্যান্ড এস্ট্যাবলিশমেন্ট আইনের আওতায় যেসব দোকান নথিভুক্ত আছে, তাঁরা শনিবার থেকে ব্যবসা চালু করতে পারবে। তবে দোকান খুলতে হবে করোনা সংক্রান্ত কেন্দ্রের গাইডলাইন মেনে। নতুন নির্দেশিকার ফলে পুরসভা এলাকার বাইরে বাজার, বা আবাসনের আশেপাশে সব ধরনের দোকান খোলার অনুমতি পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ কর্মচারীকে নিয়ে কাজ করা যাবে। অন্যদিকে পুরসভা এলাকায় পুরসভার অনুমতি নিয়ে একক দোকান এবং বসতিপূর্ণ এলাকায় দোকান খোলা যাবে। তবে, শপিং মল বা সুপার মার্কেটগুলি এখনও বন্ধ থাকছে। ফলে, মল বা মার্কেট কমপ্লেক্সে থাকা দোকানপাঠ এখনই খোলা যাবে না। কেন্দ্রের নয়া নির্দেশিকায় বহু ব্যবসায়ী স্বস্তি পাবেন। অসুবিধা লাঘব হবে সাধারণ মানুষেরও।

উল্লেখ্য, করোনা রুখতে গত ১৪ এপ্রিল থেকে দেশে দ্বিতীয় পর্যায়ের লকডাউন চলছে। দীর্ঘ বিধিনিষেধের গেরোয় আর্থিকভাবে নাজেহাল গোটা দেশ। দেশের নাগরিকদের উপর আর্থিক বোঝা কমাতে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তা নিশ্চিত করতে লকডাউন (Lock Down 2.0) ক্রমশ শিথিল করছে কেন্দ্র। গত ২০ এপ্রিল থেকে লকডাউনের বিধিনিষেধ অনেকটাই শিথিল করা হয়েছে। ২৩ এপ্রিলও নির্দেশিকা জারি করে বহু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়। শুক্রবার নতুন নির্দেশিকার ফলে একপ্রকার সমস্তরকম ছোট ব্যাবসায়ীই দোকান খোলার অনুমতি পেয়ে গেলেন।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck