ঘাটালে করোনায় আক্রান্ত অ্যাম্বুল্যান্স চালক

25th April 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
ঘাটালে করোনায় আক্রান্ত অ্যাম্বুল্যান্স চালক


ফের করোনার ছায়া ঘাটালে। দাসপুরের গ্রামের পরে এ বার করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলল ঘাটাল শহরে। পেশায় অ্যাম্বুল্যান্স চালক ওই আক্রান্ত যুবকের বাড়ি ঘাটালের এক গ্রামে। তবে স্ত্রী-ছেলেকে নিয়ে তিনি ভাড়া থাকতেন শহরে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে জানা যায়, ওই যুবকের করোনা রিপোর্ট পজ়িটিভ এসেছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক গিরীশচন্দ্র বেরা মানছেন, “ঘাটাল শহরের এক যুবকের করোনা রিপোর্ট পজ়িটিভ হয়েছে। ওই যুবককে পাঁশকুড়ার বড়মা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁর সূত্রে ঘাটাল হাসপাতালে কয়েকজন চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্য কর্মীকে সরকারি কোয়রান্টিনে পাঠানো হচ্ছে। মেদিনীপুরে আসার আগে ওই যুবক ঘাটালে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।” এ দিন রাতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার নানা দাবিতে ঘাটাল হাসপাতালে নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভও দেখান।

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, কয়েকদিন আগে জ্বর-সর্দি নিয়ে ঘাটাল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হন ওই যুবক। তার আগে মেল মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন তিনি। উপসর্গ থাকায় গত সোমবার ঘাটাল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে মেদিনীপুরের করোনা হাসপাতালে পাঠান। ওই অ্যাম্বুল্যান্স চালকের করোনা রিপোর্ট পজ়িটিভ আসা মাত্র বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ঘাটাল শহরে তুমুল তৎপরতা শুরু হয়েছে। জারি হয়েছে সর্বোচ্চ করোনা সতর্কতা। সিল করা হয়েছে নির্দিষ্ট এলাকা। আক্রান্ত যুবক কার কার সংস্পর্শে এসেছেন, কোথায় গিয়েছেন, তার খোঁজও শুরু করেছে পুলিশ-প্রশাসন। ঘাটাল মহকুমায় এই নিয়ে করোনা রোগী বেড়ে হল চার। এর আগে দাসপুরের গ্রামে একই পরিবারের তিনজন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck