রাজ্যকে অশান্ত করতে চাইছেন রাজ্যপাল

26th April 2020 পশ্চিমবঙ্গ
রাজ্যকে অশান্ত করতে চাইছেন রাজ্যপাল


রাজ্যকে অশান্ত করতে চাইছেন রাজ্যপাল। আ‌জ এই মন্তব্যে পশ্চিমবঙ্গে রাজ্য-রাজ্যপাল ‘যুদ্ধে’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়াল কংগ্রেস। কেবল পশ্চিমবঙ্গই নয়। কংগ্রেস শাসিত পুদুচেরিতেও লেফটন্যান্ট গভর্নর কিরণ বেদির সঙ্গেও মুখ্যমন্ত্রী ভি নারায়ণস্বামীর একই ধরনের বিবাদ লেগে রয়েছে। তাই করোনার সঙ্গে লড়াইয়ের বর্তমান পরিস্থিতিতেও রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পাশে দাঁড়ালেন কংগ্রেসের রাজ্যসভার এমপি বিশিষ্ট আইনজীবী কপিল সিবাল। এদিন এক প্রশ্নের উত্তরে দলের সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, রাজ্যপাল হলেন কেন্দ্রের প্রতিনিধি। তাই সেই পদের অধিকারকে সামনে রেখে রাজ্যপাল যা করছেন, তা রাজ্যকে অশান্ত, অস্থির করারই চেষ্টা।
সরাসরি বিজেপির নাম না করেও সিবাল বলেন, এর আগে অরুণাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, গোয়া, কর্ণাটকের রাজ্যপালদের ভূমিকা গোটা দেশ দেখেছে। সুপ্রিম কোর্টে আমি এ ব্যাপারে সওয়ালও করেছি। তাই এই ব্যাপারে আমরা আশ্চর্য হচ্ছি না। বিভিন্ন রাজ্যে ওঁরা এটাই করছেন। পশ্চিমবঙ্গেও একই জিনিস হচ্ছে। যা মোটেই কাম্য নয়। অন্যদিকে, রাজ্যে কেন্দ্রীয় টিম পাঠানো প্রসঙ্গে এদিন ফের সরব হয়েছে তৃণমূল। দলের জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়ান বলেন, যা ভাবা হয়েছিল তাই হল। নিলর্জ্জভাবে রাজনৈতিক ভাইরাস ছড়াতেই বাংলায় গিয়েছে ওই টিম। নাহলে কেন কোনও হটস্পটে না গিয়ে রাজ্যের অন্য অংশ তারা পরিদর্শন করল? কেন প্রশ্ন তোলা হচ্ছে অডিট কমিটি নিয়ে? রাজ্যকে সমস্যায় ফেলতেই টিম গিয়েছে বলে তোপ দাগলেন ডেরেক।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck