জেলাজুড়ে ২মে থেকে বোরো ধান কেনা শুরু

27th April 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
 জেলাজুড়ে ২মে থেকে বোরো ধান কেনা শুরু


তমলুক: আগামী ২মে থেকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় সহায়ক মূল্যে বোরো ধান কেনা শুরু হবে। ২৪টি সিপিসি(সেন্ট্রালাইজড প্রোকিওরমেন্ট সেন্টার) ছাড়াও সিএমআর এজেন্সি-র মাধ্যমেও ধান কেনা হবে বলে রবিবার জেলা খাদ্য নিয়ামক সৈকত চক্রবর্তী জানিয়েছেন। আপাতত সওয়া এক লক্ষ মেট্রিকটন ধান কেনার টার্গেট নিয়ে নামছে জেলা খাদ্যদপ্তর।
এই মুহূর্তে জেলার বিভিন্ন জায়গায় ধান কাটা শুরু হয়েছে। কিন্তু, নিম্নচাপের জেরে ঝড়বৃষ্টিতে সেই কাজ ব্যাহত হচ্ছে। এই অবস্থায় দৈনিক মজুরি বেড়ে ৪০০টাকা হয়েছে। সাধারণত ধান কাটার মরশুমে অন্য রাজ্য থেকে দলবেঁধে শ্রমিকরা আসতেন। এবছর লকডাউন চলায় বাইরের রাজ্য থেকে কৃষি-শ্রমিকরা আসতে পারছে না। মাঠ থেকে বোরো ধান কীভাবে ঘরে আসবে, তা নিয়ে চাষিদের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে। দুর্যোগ সত্ত্বেও বেশকিছু জায়গায় ধান কাটা শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় আগামী ২মে থেকে ধান কিনতে নামছে জেলা প্রশাসন।
চলতি মরশুমে পূর্ব মেদিনীপুর জেলাকে তিন লক্ষ মেট্রিকটন ধান কেনার টার্গেট বেঁধে দেওয়া হয়েছে। খরিফ মরশুমে আমন ধান কাটার পর এখনও পর্যন্ত ১লক্ষ ৮৮হাজার মেট্রিকটন ধান কেনা হয়েছে। টার্গেট ছুঁতে আরও প্রয়োজন ১লক্ষ ১২হাজার মেট্রিকটন ধান। আপাতত লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে আগামী ২মে থেকে ২৪টি ব্লকে সিপিসি চালু হবে।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ময়না ব্লকে সামান্য পরিমাণ ধান উৎপাদন হয়। এলাকায় মাছ চাষ বেশি হওয়ায় সেখানে সহায়ক মূল্যে ধান কেনার জন্য সিপিসি খোলার দরকার পড়ে না। ময়না বাদ দিয়ে জেলার বাকি ২৪টি ব্লকে একটি করে সিপিসি খোলা হবে। এছাড়াও ইসিএসসি, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমেও বোরো ধান কেনা হবে।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck