অমিত শাহের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তাব মার্কিন কমিশনের,

10th December 2019 ভারত
অমিত শাহের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তাব মার্কিন কমিশনের,


বাংলা নিউজঃ সোমবার রাত ১২টায় লোকসভায় পাশ হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল। আর ১২ ঘন্টা কাটার আগেই আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পড়লেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এই বিষয়টিকে ভাল চোখে দেখছে না আমেরিকা। তাই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করারও প্রস্তাব দিয়েছে আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতার যুক্তরাষ্ট্রীয় মার্কিন কমিশন।
এই কমিশন জানিয়েছে, বিলটি যদি সংসদের দু’টি কক্ষেই পাশ হয়ে যায় তা হলে তা হবে ভুল পথে এক ধাপ এগোনো। ইউএস কমিশন ফর ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (ইউএসসিআইআরএফ) বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, নাগরিকত্ব বিল লোকসভার ছাড়পত্র পেয়ে যাওয়ায় খুবই সমস্যা তৈরি হয়েছে। যদি ক্যাব সংসদের উভয় কক্ষে পাশ হয়ে যায় তাহলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং কেন্দ্রের প্রধান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আনা উচিত আমেরিকার। 
এদিকে প্রস্তাবিত এই বিল অনুযায়ী, ২০১৪ সালের à§©à§§ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি এবং খৃস্টান ধর্মাবলম্বী যে সব মানুষ ওইসব দেশে নির্যাতনের শিকার হয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন, তাঁদের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসাবে দেখা হবে না এবং তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। অন্যদিকে এই বিল লোকসভায় পেশ হওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে আমেরিকার হাউস অফ ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটি। তারা বলেছে, নাগরিকত্বের জন্য ধর্মের পরীক্ষা নিয়ে যে প্রস্তাব ভারত গ্রহণ করেছে তা দু’‌দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল বিশ্বাসে আঘাত হানবে। এই বিল নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যথেষ্ট চিন্তিত। এটা ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিপন্থী।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck