মেল, হোয়াটসঅ্যাপে অনুমোদনপত্র, বেতনের পথ সুগম শিক্ষকদের

28th April 2020 শিক্ষা
মেল, হোয়াটসঅ্যাপে অনুমোদনপত্র, বেতনের পথ সুগম শিক্ষকদের


কলকাতা: শিক্ষকদের হাতে দ্রুত বেতন তুলে দিতে হাতিয়ার হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ, ইমেল। কাজে যোগ দিলেও সরকারিভাবে অনুমোদনপত্র বা অফিসিয়াল অ্যাপ্রুভাল লেটার না পেলে বেতন আটকে যায় শিক্ষকদের। লকডাউন পরিস্থিতিতে এই সমস্যাতেই পড়তে হচ্ছিল বহু শিক্ষককে। সমাধানে এগিয়ে এসেছে বেশ কিছু জেলার ডিআই অফিস। অনলাইন অ্যাপ্রুভাল দিয়েই জরুরিকালীন পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে তারা। এটা রীতিমতো অভিনব ব্যাপার বলেই অনেকে মনে করছেন। বাঁকুড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো জেলাতে ইতিমধ্যেই তা হচ্ছে। হুগলি জেলাতেও দ্রুত এই ব্যবস্থা চালু হবে বলে খবর। এর ফলে শিক্ষকরাও খুশি। অন্য সময় ‘গদাই লস্করি চাল’এ চলায় অভিযুক্ত ডিআই অফিসগুলির ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে এই পদক্ষেপে।
শেষের দিকের কাউন্সেলিংয়ের বেড়া ডিঙানো মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বহু শিক্ষকেরই জয়েনিং ডেট পড়েছিল লকডাউন শুরু হওয়ার কিছু আগে। আবার মিউচুয়াল বা স্পেশাল ট্রান্সফারের সুবিধা পাওয়া কিছু শিক্ষকও লকডাউনের ঠিক আগেই কাজে যোগ দিয়েছিলেন। লকডাউনের কারণে তাঁদের অ্যাপ্রুভাল, পে ফিক্সেশন সবই আটকে গিয়েছিল। ব্যাপক সমস্যায় পড়েছিলেন বহু শিক্ষক। শেষমেশ তাঁদের প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে কয়েকটি জেলা এগিয়ে এসেছে। তার মধ্যে সবচেয়ে অগ্রগণ্য হল বাঁকুড়া জেলা। ট্রান্সফার এবং নতুন জয়েনিংয়ের ক্ষেত্রে শুধু অ্যাপ্রুভাল লেটারই নয়, পে ফিক্সেশন, ‘এইট্টিন ইয়ার্স বেনিফিট’-সহ বেতন ও আর্থিক সুবিধা সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ তারা অনলাইনে ছেড়ে দিচ্ছে। এর জন্য ডিআই অফিসের ইমেল আইডিতে বিষয়টি সাবজেক্ট-এর ঘরে উল্লেখ করে তথ্যসহ মেল পাঠাতে হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি জেলার এক আধিকারিক বলেন, ইমেলের মাধ্যমে প্রার্থীদের কাছ থেকে চেয়ে নেওয়া হচ্ছে আগের স্কুলের অ্যাপ্রুভাল লেটার। নতুন জয়েনিং হলে সেই সংক্রান্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি, অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি নিয়ে আমরা প্রিন্ট করে নিচ্ছি। সেসব খতিয়ে দেখেই আবার তাঁর কাছে ইমেল মারফত পিডিএফ ফরম্যাটে সার্টিফিকেট পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অন্য এক জেলার আধিকারিক বলেন, শুধু ইমেল নয়, কাজের দ্রুততার জন্য হোয়াটসঅ্যাপেও তথ্য নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় শংসাপত্র বা অনুমোদনপত্র হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেই পিডিএফ ফরম্যাটে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির অন্যতম নেতা অনিমেষ হালদার দাবি করেন, শিক্ষকদের কাছ থেকে আবেদন পেয়ে তাঁরা ডিআইদের কাছে প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তাঁদের অনেকেই সেটা মান্যতা দিয়ে কাজ শুরু করেছেন। এটা একটা মডেল হতে পারে। মিড ডে মিলের চাল, আলু দেওয়া সংক্রান্ত যাবতীয় নির্দেশ চালাচালিই হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে হয়েছে। ফলে, অন্যান্য কাজও হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমেলের মাধ্যমে হতে কোনও বাধা আসা উচিত নয়। অন্য জেলাগুলিও এগিয়ে এলে শিক্ষকরা উপকৃত হবেন।





Others News

প্রাথমিক টেট প্রস্তুতি -- শিশু মনোবিদ্যা

প্রাথমিক টেট প্রস্তুতি -- শিশু মনোবিদ্যা


প্রাথমিক টেট প্রস্তুতি 

*শিশু মনোবিদ্যা *

 

১.শিশু কেন্দ্রিক শিক্ষার জনক- রুশো

২. সমস্যা সমাধান পদ্ধতি - জন ডিউই।

৩.বুদ্ধির দলগত উপাদান তত্ব- থর্ন ডাইক।

৪. বুদ্ধির একক উপাদান তত্ব- স্টার্ন।

৫.বুদ্ধির বহু উপাদান তত্ব-থার্স্টোন।

৬.বুদ্ধির বাছাই তত্ব- থমসন।

৭.বুদ্ধির দ্বি- উপাদান তত্ব- স্পিয়ারম্যান।

.সামাজিক চুক্তি নীতির প্রবক্তা- হেগেল।

৯.কাসা দাই বাম বিনি প্রতিস্টা করেন- মাদাম মন্তেসরি।

১০.শিক্ষক কে বাগানের মালির সংগে তুলনা করেন- ফ্রয়বেল।

১১.শিখনের সক্রিয়া অনুবর্তন তত্ব-স্কিনার।

১২.শিখনের প্রাচীন অনুবর্তন তত্ব- প্যাভলভ।

১৩.শিখনের সমগ্রতা বাদী তত্ব- কোহলার; কফকা; ওয়ার্দিমার।

১৪.শিশু নিকেতন স্থাপন- মন্তেসরি।

১৫.শিশুর নৈতিক বিকাশ তত্ব- কোহলবার্গ।

১৬.শিশুর জ্ঞানমূলক বিকাশ তত্ব- পিয়াঁজে।

১৭.প্রকল্প পদ্বতি- কিল প্যাট্রিক।

১৮.কিন্ডার গার্ডেন পদ্ধতি- ফ্রয়বেল।

১৯.বুদ্ধির প্রাথমিক মানসিক ক্ষমতা তত্ব- থার্স্টোন।

২০.বুদ্ধির 3Dতত্ব-জে.পি.গিলফোর্ড।

২১.মানসিক বয়স ধারণাটি উদ্ভাবন করেন- বিঁনে- সাইমন।

২২.আচরণ বাদের প্রতিষ্ঠাতা- ওয়াটসন।

২৩.শিখনের চিহ্নিতকরণ তত্ব-টলম্যান।

২৪.প্রাকপ্রাথমিক শিক্ষার কথা প্রথম বলেন- প্লেটো।

২৫.শিখনের প্রচেষ্টা অ ভুল তত্ব- থর্নডাইক।

২৬.প্রথম বুদ্ধির অভীক্ষা তৈরি করেছিলেন- আলফ্রেড বিঁনে সাইমন।

২৭.শিখনের সামাজিক নির্মিতিবাদ - ভাইগটস্কি।

২৮.বুদ্ধির সংগঠন সংক্রন্ত তত্ব- গিল ফোর্ড।

২৯.মন: সামাজিক বিকাশ তত্ব: এরিকসন।

৩০.সমস্যা সমাধান মুলক গবেষনা - থর্ন ডাইক।

( প্রতিদিন দেওয়া হবে প্রশ্ন - উত্তর ) 

--- Tarif Alam 

 


blanck