রাজ্যসভায় আজ বিলে পাশের চেষ্টা বিজেপির , হিসাব কি বলছে ?

11th December 2019 ভারত
রাজ্যসভায় আজ বিলে পাশের চেষ্টা বিজেপির , হিসাব কি বলছে ?


বাংলা নিউজঃ রাজ্যসভায় আজ পেশ করা হবে নাগরিকত্ব সংশোধন বিল বা ক্যাব । à¦°à¦¾à¦œà§à¦¯à¦¸à¦­à¦¾à§Ÿ মোট আসন ২৪৫। এর মধ্যে ৫টি আসন এখন শূন্য। সুতরাং সামগ্রিকভাবে গরিষ্ঠতার সংখ্যা ১২১। বিজেপির কাছে রয়েছে ৮৩ জন এমপি। এনডিএ জোটের সদস্যদের নিয়ে ১১২ জন। বিজেপির অঙ্ক, বিজু জনতা দলসহ বেশকিছু দল ও নির্দলদের পাশে নিয়ে তাদের কাছে ১২৭ জনের সমর্থন আছে। সেটা বাড়তেও পারে। অন্য‌দিকে কংগ্রেস (৪৬) তৃণমূল (à§§à§©), সমাজবাদী পার্টি (৯), বহুজন সমাজ পার্টি (৪) এবং আরও বেশকিছু বিরোধী দলকে নিয়ে বিরোধী জোট  ১০৫ জন।

লোকসভায় শিবসেনা নাগরিকত্ব বিলের পক্ষে ভোট দিলেও, রাজ্যসভার ভোটে বিরোধী শিবিরের সঙ্গে হাত মেলানোর ইঙ্গিত দিয়েছে উদ্ধব ঠাকরের দল। তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েনের দাবি, ‘‘শিবসেনার এক শীর্ষ নেতাও জানিয়েছেন রাজ্যসভায় বিলের বিরোধিতা করবেন তাঁরা। সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন শিবসেনা নেতা।’’  à¦¬à¦¿à¦¶à§‡à¦· করে টিআরএস লোকসভায় বিলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ায় উজ্জীবিত বিরোধী শিবির। একা তৃণমূলই বিলে কুড়িটি সংশোধনীর প্রস্তাব জমা দিয়েছে। গত কাল লোকসভায় ৩৩৪-১০৬ ভোটে সরকার জিতলেও, রাজ্যসভায় দুই শিবিরের ব্যবধান কম হওয়ায় লড়াই প্রবল হওয়ার আশঙ্কা করছে দু’পক্ষই। কাল নাগরিকত্ব বিলের ভোটাভুটিতে সাংসদদের উপস্থিত থাকার জন্য হুইপ জারি করেছে শাসক-বিরোধী সব দলই।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck