অবিলম্বে CAB এর প্রত্যাহার চাই

12th December 2019 ভারত
অবিলম্বে CAB এর প্রত্যাহার চাই


রোহিত মন্ডল:  à¦•েন NRC বা CAB এর আতঙ্ক বুকে নিয়ে শুধু মাত্র একটা বিশেষ ধর্মের মানুষ কে দিনযাপন করতে হবে এই স্বাধীন ভারত বর্ষের মাটিতে ? সংবিধান যেখানে বলছে ভারতবর্ষের সব ধর্মের মানুষ কে সমান চোখে দেখা হবে । তারপর ও কেন NRC কেন CAB ? আজ কেন ভুলে যাব ভারতবর্ষ কে স্বাধীন করার জন্য মুসলিমদের অবদান । এই ভারত বর্ষের জন্য টন টন সোনা দান করে গেছেন হায়দ্রাবাদের নিজাম উদ্দিন ।একজন মুসলিম যাকে উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় দানবীর বলা হয় । এই ভারত বর্ষের স্বাধীনতার জন্য ৭০ হাজার মুসলমান বীর শহীদ হয়েছেন যাদের নাম আজও ইন্ডিয়া গেটের ফলকে লেখা আছে । আজ হয়তো তাদের কোন উত্তর পুরুষ , শুধু মাত্র নিজেদের অজ্ঞতার কারণে নিজ মাতৃভূমি হারাবে অথবা ট্রানজিট ক্যাম্পে হাজার অত্যাচার সহ্য করে দিন কাটাবে । এত দিন ধরে যারা এই ভারতবর্ষের বুকে কাটিয়ে এল তাদের কে দেশ ছাড়া করতে ,নিজেদের স্বার্থের জন্য একটা রাজনৈতিক দল উঠে পড়ে লেগেছে । সাধারণ মানুষের কাছে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে তারা ধর্মীয় বিভাজন সৃষ্টি করে NRC বা CAB এর মত ইস্যু তুলে ধরছে এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই । আজ যেখানে বুদ্ধিজীবী বা বিজ্ঞানীদের মত জ্ঞানী মানুষরা এই CAB এর মত বিল কে প্রত্যাহার করতে অনুরোধ করছেন , তখন নিশ্চয় তারা বুঝতে পারছেন এই বিল ভবিষ্যৎ ভারতের অনেক খানি ক্ষতি করে দেবে । তাই এখনই সারা ভারতবর্ষের মুসলিম সম্প্রদায় এক হয়ে অন্তত গর্জে উঠুক এই মর্মে যে এই বিল সরকার কে প্রত্যাহার করতে হবে অবিলম্বে ।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck