পরিযায়ী শ্রমিকদের ভাড়া দিয়ে উঠতে হবে স্পেশাল ট্রেনে ! সব কুছ চঙ্গা সি

3rd May 2020 পশ্চিমবঙ্গ
পরিযায়ী শ্রমিকদের ভাড়া দিয়ে উঠতে হবে স্পেশাল ট্রেনে ! সব কুছ চঙ্গা সি


 পি এম কেয়ারসে কত টাকা জমা পড়েছে তার হিসাব জনগণের জানা নেই। না-বাড়ি ফেরার জন্য ফ্রি টিকিট দেবেনা রেল।পরিযায়ী নাগরিকদের  স্বরাজ্যে ফেরাতে স্পেশাল ট্রেন চালু করেছে রেল মন্ত্রক। এবার সেই ট্রেনে চাপতে গেলে গুণতে হবে টাকা। সংশ্লিষ্ট রাজ্য কোষাগারে সেই টাকা জমা পড়বে। এই মর্মে বার্তা পাঠিয়েছে মন্ত্রক।কিন্তু যারা দু বেলা খেতে  পায়না কাজ না করলে তাদের ভাড়া নেওয়া কি উচিত?প্রশ্ন করছে বিরোধীরা।দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আটক পরিযায়ী নাগরিকদের স্বরাজ্যে ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। রেল মন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় গড়ে চালানো হচ্ছে বিশেষ ট্রেন। এই পরিযায়ী নাগরিকদের মধ্যে আছেন; শ্রমিক, পড়ুয়া, পর্যটক-সহ অন্যরা। কিন্তু রেল মন্ত্রকের টিকিট ভাড়া সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে শ্রমিকদের ঘাড়ে বোঝা চাপবে, এই দাবিতে সরব বিরোধীরা। এনডিটিভির হাতে আসা রেল মন্ত্রকের নির্দেশিকায় উল্লেখ, "স্থানীয় রাজ্য সরকার টিকিট হস্তান্তর করবে রেল যাত্রীদের। সেই টাকা সংগ্রহ করে রেলের হাতে তুলে দেবে সংশ্লিষ্ট রাজ্য প্রশাসন।" 

সব থেকে বড় প্রশ্ন "সবকা সাথ  সবকা বিকাশ"কি শুধু ধনীদের ?এই সিদ্ধান্ত থেকে স্পষ্ট কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বিত্তবান-উদ্যোগপতিদের ব্যাঙ্ক লোন মকুব করে আর গরিবদের ওপর বোঝা চাপায়।বিশেষ করে অ-বিজেপি রাজ্যগুলো এই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ। তাদের দাবি, কেন্দ্রই বহন করুক যাতায়াতের খরচ।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck