শিক্ষিত মানেই কি বুদ্ধিজীবী বা মানবিকঃ দুরগাপূর স্কুলের ঘটনা

7th May 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
শিক্ষিত মানেই কি বুদ্ধিজীবী বা মানবিকঃ দুরগাপূর স্কুলের ঘটনা


শিক্ষিত মানেই বুদ্ধিজীবী বা মানবিক হবেই এটা সঠিক নয়।এই ঘটনার পরে এমনই মনে হবে সকলের।লকডাউন অমান্য করেই স্কুল খুলে বই বিক্রির চেষ্টা করেছিল দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল।যেখানে সব স্কুল বন্ধ সেখানে এই ব্যবসা না করলেই কি চলত না।এই বেসরকারি স্কুল থেকে রাজ্য সকারেরর স্কুল গুলি অনেক বেশি মানবিক।আর বেসরকারি স্কুলে পড়লেই যে ভালো ছাত্র এমন কথা সত্যি নয়। মঙ্গলবার বই সংগ্রহের জন্য অভিভাবকদের ভিড় দেখে প্রশাসন হস্তক্ষেপে করলে, বন্ধ হয়ে যায় বই বিলি এবং বিক্রি। বুধবার থেকে দুর্গাপুরের বেনাচিতি বাজারে একটি দোকান থেকে ঐ স্কুলের বই বিক্রি করা শুরু হয়। কিন্তু এখানেও সামাজিক দূরত্বকে তোয়াক্কা না করে ভিড় করতে দেখা যায় অভিভাবকদের।অভিভাবকদের অভিযোগ, বই বিক্রির নামে তাঁদের সুরক্ষা নিয়ে ছেলেখেলা করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। কখনও স্কুল আবার কখনও বইয়ের দোকানে পাঠানো হচ্ছে তাঁদের। ফলে চূড়ান্ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন তাঁরা।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। ৩৮ বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck