পরিযায়ী শ্রমিকদের ট্রেনে দেওয়া হচ্ছে দুর্গন্ধযুক্ত খিচুড়ি : শিশুদের চোখে জল

8th May 2020 ভারত
পরিযায়ী শ্রমিকদের ট্রেনে দেওয়া হচ্ছে দুর্গন্ধযুক্ত খিচুড়ি : শিশুদের চোখে জল


মোদি সরকার গরীব বিরোধী এমনই দাবী বিরোধীদের।ভাগলপুরগামী শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে খাবার ও পানীয় জল না পাওয়ার অভিযোগ উঠল বৃহস্পতিবার।সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ ট্রেনটি রামপুরহাট স্টেশনে পৌঁছতেই ক্ষোভ উগরে দিলেন পরিযায়ী শ্রমিকরা।যদিও ওই ট্রেন থেকে রামপুরহাটে কেউ নামেননি। হায়দরাবাদে আটকে পড়া শ্রমিকরা মঙ্গলবার রাত ১টা নাগাদ ঘাটকেশর স্টেশন থেকে ট্রেনে চেপে ভাগলপুরের দিকে রওনা দেন। এদিন নির্ধারিত সময়ের প্রায় সাড়ে চারঘণ্টা দেরিতে ২৪ কামরার ট্রেনটি রামপুরহাট স্টেশনে ঢোকে। ট্রেনে প্রায় ১২০০ যাত্রী ছিলেন। অমরজিৎ কুমার, নীরজ ঠাকুর বলেন, ট্রেন ছাড়ার পরে কোনও খাবার দেওয়া হয়নি। বুধবার দুপুরে ও গভীর রাতে নষ্ট হয়ে যাওয়া খিচুড়ি আর একটি করে জলের বোতল দেওয়া হয়েছিল। অনেকে খিদের পেটে তা খেয়েছেন। আবার অনেকে ফেলে দিয়েছেন। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত কিছু দেওয়া হয়নি। প্রচুর বাচ্চা রয়েছে। তারা খিদের জ্বালায় কাঁদছে। ট্রেনের মধ্যেও জল শেষ। বিরোধীদের দাবী মোদী সরকার পে এম কেয়ারসে যে এত টাকা তুলল সেই টাকা থেকে কি গরীব মানুষদের খাওয়ানো যেতনা ?

পূর্ব রেলের জনসংযোগ আধিকারিক নিখিল চক্রবর্তী বলেন, এমনটা হওয়ার কথা নয়।ট্রেনের মধ্যে জল না থাকার বিষয়টি খোঁজ না নিয়ে বলতে পারা সম্বভ নয়।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck