প্রধানমন্ত্রীর স্টাইলই হল নিজেকেই একা ‘স্ট্রংম্যান’ হিসেবে তুলে ধরা।প্রধানমন্ত্রী করোনা রুখতে পুরোপুরি অসফল-এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই বলে দাবী বিরোধীদের।
প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার অভিযোগ তুললেন রাহুল গান্ধী। দিল্লি থেকে নির্দেশ চাপানোর বদলে রাজ্যগুলিকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করলেন তিনি।কৃষক, গরিব এবং ক্ষুদ্র শিল্পকে এখনই আর্থিক সহায়তা না করলে দেশকে বেকারত্বের সুনামির সামনে পড়তে হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করলেন তিনি। রাহুল গান্ধী আরও বললেন, এই সরকারের নীতিই হল বিরোধীদের অগ্রাহ্য করা। তা সত্ত্বেও দেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে সরকারকে পরামর্শ দিয়েই যাব।সংক্রমণ সাময়িক আটকানো গেলেও অপরিহার্য সত্যকে এড়ানো যাবে না বলেই তাঁর মত। তাই লকডাউনকে ফের ‘পজ বাটন’ আখ্যা দিয়ে রাহুল গান্ধী এদিন এক অনলাইন সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, আজ লকডাউনের ৪৫ দিন হয়ে গেল। সংক্রমণ আটকানো যাচ্ছে কি? বড়জোর একটু কম হচ্ছে মাত্র।
লকডাউন থেকে বেরনোর ক্ষেত্রে সরকারের সুনির্দিষ্ট কোনও পরিকল্পনা না থাকায় একদিকে যেমন আম মানুষের মধ্যে ভাইরাসের ভয় কাটছে না, অন্যদিকে অর্থনীতির হালও বেহাল। এখনই গরিবদের হাতে টাকা না দিলে, ক্ষুদ্র শিল্প আর্থিক প্যাকেজ না পেলে দেশকে অদূর ভবিষ্যতে ভয়ঙ্কর বিপদের মুখে পড়তে হবে।