প্রধানমন্ত্রীর করোনাকে রুখতে সুনির্দিষ্ট কোনও পরিকল্পনা নেই : রাহুল গান্ধী

9th May 2020 ভারত
 প্রধানমন্ত্রীর করোনাকে রুখতে সুনির্দিষ্ট কোনও পরিকল্পনা নেই : রাহুল গান্ধী


প্রধানমন্ত্রীর স্টাইলই হল নিজেকেই একা ‘স্ট্রংম্যান’ হিসেবে তুলে ধরা।প্রধানমন্ত্রী করোনা রুখতে পুরোপুরি অসফল-এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই বলে দাবী বিরোধীদের।

প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার অভিযোগ তুললেন রাহুল গান্ধী। দিল্লি থেকে নির্দেশ চাপানোর বদলে রাজ্যগুলিকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করলেন তিনি।কৃষক, গরিব এবং ক্ষুদ্র শিল্পকে এখনই আর্থিক সহায়তা না করলে দেশকে বেকারত্বের সুনামির সামনে পড়তে হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করলেন তিনি। রাহুল গান্ধী আরও বললেন, এই সরকারের নীতিই হল বিরোধীদের অগ্রাহ্য করা। তা সত্ত্বেও দেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে সরকারকে পরামর্শ দিয়েই যাব।সংক্রমণ সাময়িক আটকানো গেলেও অপরিহার্য সত্যকে এড়ানো যাবে না বলেই তাঁর মত। তাই লকডাউনকে ফের ‘পজ বাটন’ আখ্যা দিয়ে রাহুল গান্ধী এদিন এক অনলা঩ইন সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, আজ লকডাউনের ৪৫ দিন হয়ে গেল। সংক্রমণ আটকানো যাচ্ছে কি? বড়জোর একটু কম হচ্ছে মাত্র।

লকডাউন থেকে বেরনোর ক্ষেত্রে সরকারের সুনির্দিষ্ট কোনও পরিকল্পনা না থাকায় একদিকে যেমন আম মানুষের মধ্যে ভাইরাসের ভয় কাটছে না, অন্যদিকে অর্থনীতির হালও বেহাল। এখনই গরিবদের হাতে টাকা না দিলে, ক্ষুদ্র শিল্প আর্থিক প্যাকেজ না পেলে দেশকে অদূর ভবিষ্যতে ভয়ঙ্কর বিপদের মুখে পড়তে হবে।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck