ছুটির পর স্কুল খুললে বাচ্চাদের সামাল দেওয়া চ্যালেঞ্জ শিক্ষা দপ্তরের

15th May 2020 9:36 am শিক্ষা
 ছুটির পর স্কুল খুললে বাচ্চাদের সামাল দেওয়া চ্যালেঞ্জ শিক্ষা দপ্তরের


কলকাতা: গরমের ছুটির পর স্কুল খুললে, সমস্ত বিধি মেনে বাচ্চাদের সামাল দেওয়া এখন চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছে শিক্ষা দপ্তর। তাই স্কুলগুলিকে দিশা দিতে রূপরেখা তৈরি করছে তারা। আধিকারিকরা কিছু কিছু বিষয় প্রাথমিকভাবে ঠিক করেও ফেলেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন মহল থেকে পরামর্শও চাওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। স্কুলের ১ কোটি ৪০ লক্ষ পড়ুয়াকে সামলানো যে সহজ হবে না, তা মানছেন দপ্তরের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিরা।
ঠিক হয়েছে, স্কুল খোলার পর করোনা জীবাণু ও সংক্রমণ, সামাজিক দূরত্ব ইত্যাদি নিয়ে শিক্ষকদের ভালো করে সচেতন করবে দপ্তর। অভিভাবকদেরও তা করা হতে পারে বলে খবর। কী করতে হবে, আর কী নয়— লিফলেট ছাপিয়ে তা স্কুলে ঝোলানো হবে। রোজ স্কুলে যাতে শিক্ষক এবং পড়ুয়াদের থার্মাল গান দিয়ে স্ক্রিনিং করা হয়, তার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া স্কুলে স্যানিটাইজার এবং সাবান তো রাখতেই হবে। সামাজিক দূরত্ব রেখে মিড ডে মিল খাওয়া, বা সেটা পরিবেশনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়ম চালু করা হবে বলে জানা গিয়েছে। স্কুলে মাস্ক ব্যবহার করা নিয়েও প্রাথমিকভাবে আলোচনা হয়েছে। বাচ্চারা কোনওভাবেই যাতে একজন অপরজনের খাবার তুলে না-খায়, তার জন্যও নজরদারি করতে হবে শিক্ষকদের। সেক্ষেত্রে প্রত্যেক বাচ্চার উপর নজর রাখা কি সম্ভব হবে? তাই বিকল্প কী করা যায়, তা নিয়ে শিক্ষা দপ্তর চুলচেরা বিশ্লেষণ করতে ব্যস্ত। দপ্তরের এক শীর্ষ কর্তা বলেন, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের মতো করে পরিকল্পনা করে ফেলতে পারে। স্কুলের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আলাদা। তাই আমরা আলাদা করে রূপরেখা তৈরি করছি। আশা করছি, সেসব দিয়ে সামাল দেওয়া যাবে।
রাজ্যের লক্ষাধিক স্কুলকে একসঙ্গে দ্রুত স্যানিটাইজ করার প্রক্রিয়া বেশি ভাবাচ্ছে দপ্তরকে। এছাড়াও যে বিষয়গুলি নিয়ে তাদের বাড়তি চিন্তা রয়েছে, সেগুলি হল, একটি ক্লাসরুমে ৫০-৬০ জন বাচ্চাকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসানো যাবে কী করে? কারণ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো অতিরিক্ত জায়গা অধিকাংশ স্কুলে নেই। খেলাধুলো, টিফিন খাওয়া ইত্যাদি একসঙ্গেই করে বাচ্চারা। তাদের মধ্যে কী করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার অভ্যাস আনা যায়? প্রাথমিক থেকে উচ্চ প্রাথমিক পর্যন্ত বাচ্চারা চঞ্চল হয় বেশি। তারা কী করে এত কিছু মেনে চলবে — প্রশ্ন শিক্ষকদের।





Others News

প্রাথমিক টেট প্রস্তুতি -- শিশু মনোবিদ্যা

প্রাথমিক টেট প্রস্তুতি -- শিশু মনোবিদ্যা


প্রাথমিক টেট প্রস্তুতি 

*শিশু মনোবিদ্যা *

 

১.শিশু কেন্দ্রিক শিক্ষার জনক- রুশো

২. সমস্যা সমাধান পদ্ধতি - জন ডিউই।

৩.বুদ্ধির দলগত উপাদান তত্ব- থর্ন ডাইক।

৪. বুদ্ধির একক উপাদান তত্ব- স্টার্ন।

৫.বুদ্ধির বহু উপাদান তত্ব-থার্স্টোন।

৬.বুদ্ধির বাছাই তত্ব- থমসন।

৭.বুদ্ধির দ্বি- উপাদান তত্ব- স্পিয়ারম্যান।

.সামাজিক চুক্তি নীতির প্রবক্তা- হেগেল।

৯.কাসা দাই বাম বিনি প্রতিস্টা করেন- মাদাম মন্তেসরি।

১০.শিক্ষক কে বাগানের মালির সংগে তুলনা করেন- ফ্রয়বেল।

১১.শিখনের সক্রিয়া অনুবর্তন তত্ব-স্কিনার।

১২.শিখনের প্রাচীন অনুবর্তন তত্ব- প্যাভলভ।

১৩.শিখনের সমগ্রতা বাদী তত্ব- কোহলার; কফকা; ওয়ার্দিমার।

১৪.শিশু নিকেতন স্থাপন- মন্তেসরি।

১৫.শিশুর নৈতিক বিকাশ তত্ব- কোহলবার্গ।

১৬.শিশুর জ্ঞানমূলক বিকাশ তত্ব- পিয়াঁজে।

১৭.প্রকল্প পদ্বতি- কিল প্যাট্রিক।

১৮.কিন্ডার গার্ডেন পদ্ধতি- ফ্রয়বেল।

১৯.বুদ্ধির প্রাথমিক মানসিক ক্ষমতা তত্ব- থার্স্টোন।

২০.বুদ্ধির 3Dতত্ব-জে.পি.গিলফোর্ড।

২১.মানসিক বয়স ধারণাটি উদ্ভাবন করেন- বিঁনে- সাইমন।

২২.আচরণ বাদের প্রতিষ্ঠাতা- ওয়াটসন।

২৩.শিখনের চিহ্নিতকরণ তত্ব-টলম্যান।

২৪.প্রাকপ্রাথমিক শিক্ষার কথা প্রথম বলেন- প্লেটো।

২৫.শিখনের প্রচেষ্টা অ ভুল তত্ব- থর্নডাইক।

২৬.প্রথম বুদ্ধির অভীক্ষা তৈরি করেছিলেন- আলফ্রেড বিঁনে সাইমন।

২৭.শিখনের সামাজিক নির্মিতিবাদ - ভাইগটস্কি।

২৮.বুদ্ধির সংগঠন সংক্রন্ত তত্ব- গিল ফোর্ড।

২৯.মন: সামাজিক বিকাশ তত্ব: এরিকসন।

৩০.সমস্যা সমাধান মুলক গবেষনা - থর্ন ডাইক।

( প্রতিদিন দেওয়া হবে প্রশ্ন - উত্তর ) 

--- Tarif Alam 

 


blanck