শুধুমাত্র আশীর্বাদ পাওয়ার জন্য পশ্চিম মেদিনীপুরের দুই শিক্ষক বাঁকুড়া জেলার পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ালেন

15th May 2020 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
শুধুমাত্র আশীর্বাদ পাওয়ার জন্য পশ্চিম মেদিনীপুরের দুই শিক্ষক বাঁকুড়া জেলার পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ালেন


পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দুই শিক্ষক দরিদ্র পরিবারের হাতে তুলে দিলেন খাদ্য সামগ্রি।শুক্রবার সেখ সামিদুল ইসলাম ও সৈয়দ সাব্বির আলম যৌথভাবে আলু,পেঁয়াজ,সয়াবিন ও মুড়ি প্যাকেট ও সাবান তুলে দেন বাঁকুড়া জেলার à§§ নম্বর ব্লকের দরিদ্র পরিবারগুলির হাতে।কর্মসুত্রে দুই শিক্ষক বাঁকুড়া জেলায় লকডাউনে আটকা পড়েছেন।সেখ সামিদুল ইসলাম বলেন,”আমরা আমাদের সাধ্যমত মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি শুধুমাত্র আশীর্বাদ পাওয়ার জন্য ।এই সামান্য সাহায্যে মানুষের দুঃখ মোচন করা সম্ভব নয়।আমরা শুধুমাত্র মানুষের দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার চেষ্টা করেছি।পরবর্তী কালে লকডাউন এইভাবে চললে আমারা আবারও মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসব”।তিনি আরও বলেন,”সারা দেশ ব্যাপী মানুষ নিজেদের সাধ্যমত সাহায্য করে চলেছে।শিক্ষক হিসাবে আমাদের ও সমাজের প্রতি কিছু দায়বদ্ধতা রয়েছে”।

শুক্রবার টোটো ভাড়া করে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে নিজেরাই খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন এবং গ্রামবাসীদের করোনা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে বলেন।খাদ্য সামগ্রী বিলি করার সময় সমস্ত রকম সতর্কতা অবলম্বন করেন দুই শিক্ষক।শিক্ষকদের কাছে পেয়ে গ্রামবাসীরা আনন্দিত হন।পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার অধিবাসী হওয়া সত্ত্বেও এই দুই শিক্ষক যেভাবে বাঁকুড়া জেলার বাসিন্দাদের পাশে দাঁড়ালেন তা অবশ্যই প্রশংসনীয়। এই প্রসঙ্গে শিক্ষক সাব্বির আলম বলেন,”আমরা যে বাজেট করেছিলাম এবং যতগুলি পরিবারের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেব ভেবেছিলাম,খাদ্য সামগ্রী বিলি করার সময় দেখি যে আরও অনেকে সাহায্যের জন্য আবেদন করছেন।তাই আমরা সিধান্ত নিয়েছি আমাদের বাজেট আরও বাড়াব এবং বেশি সংখ্যক মানুষের পাশে যাতে আমরা দাঁড়াতে পারি তার চেষ্টা করব।আগামীকাল আমরা খাদ্য সামগ্রী বাকি পরিবারগুলির হাতে তুলে দেব।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck