হাততালি কম হওয়ায় রেগে গেলেন মোদী

21st December 2019 ভারত
হাততালি কম হওয়ায় রেগে গেলেন মোদী


বাংলা খবরঃ বণিকসভায় বক্তৃতা চলাকালীন হাততালির পরিমাণ কম হওয়ায় খানিকটা হলেও বিরক্ত হলেন প্রধানমন্ত্রী। বক্তব্য মাঝপথে থামিয়েই তিনি বলে দিলেন, “হাতেতালিতে দম কোথায়। আপনারা মনে হয় আমার কথা ঠিক করে শুনছেন না।” à¦¶à§à¦•্রবার দেশের অন্যতম বড় বণিকসভা  à¦¬à¦•্তব্য রাখছিলেন মোদি। দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে মোদির সেই বক্তৃতার দিকে নজর ছিল গোটা দেশের শিল্প মহলের। অর্থনীতিকে বেহাল দশা থেকে সঠিক দশায় ফেরাতে প্রধানমন্ত্রী কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে ছিলেন ব্যবসায়ীরা। মোদি এলেন, স্বীকার করলেন অর্থনীতিতে ওঠানামা থাকে। তবে, বর্তমান দুরবস্থা দূর করার কোনও ওষুধ তিনি দিলেন না। উলটে জোর গলায় দাবি করলেন,  à¦¸à¦ à¦¿à¦• দিশায় এগোচ্ছে অর্থনীতি। দ্রুত আমরা à§« ট্রিলিয়নের অর্থনীতিতে পরিণত হব। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, “পাঁচ-ছয় বছর আগে দেশের অর্থনীতি রীতিমতো বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল। আমরা সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে বর্তমানে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে পেরেছি।”

কিন্তু, মোদির এসব কথাতে হয়তো মন গলেনি উপস্থিত ব্যবসায়ীদের। সেভাবে হাততালিও পড়ছিল না প্রধানমন্ত্রীর কথাতে। তাই, বক্তৃতা থামিয়ে কিছুটা হলেও বিরক্তির সুরে মোদিকে অসন্তোষ প্রকাশ করতে হল। তিনি বললেন, “কী ব্যাপার, হাততালির শব্দ এত কম কেন? আমি তো আর একটু হাততালি আশা করছিলাম। আপনারা মনে হয়, অতীতের পরিসংখ্যান এখনও মনে করে রেখে দিয়েছেন। আর নাহয় ঠিক মন দিয়ে শুনছেন না আমার কথা। শুনলে আরও বেশি হাততালি পড়ত।” প্রধানমন্ত্রীর এই অসন্তোষ প্রকাশের পর অবশ্য আর হাততালির অভাব পড়েনি। সঙ্গে সঙ্গে বিজ্ঞান ভবন গর্জে ওঠে করতালির আওয়াজে। তবুও, নরেন্দ্র মোদির মতো দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতাকে অর্থনীতি সংক্রান্ত বক্তৃতায় হাততালি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করতে হচ্ছে। সেটাই কি কম উদ্বেগের বিষয়?





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck