আগের ভাড়াতেই চলবে সরকারি বাস, চাপে বেসরকারি মালিকরা

16th May 2020 11:41 am পশ্চিমবঙ্গ
আগের ভাড়াতেই চলবে সরকারি বাস, চাপে বেসরকারি মালিকরা


কলকাতা: রাজ্যজুড়ে বেসরকারি বাস চালানোর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে প্রশাসন। বর্তমান পরিস্থিতিতে বেসরকারি বাসের ভাড়া সাময়িক বাড়তে চললেও সরকারি বাসের ভাড়ায় কোনও বদল হচ্ছে না। আর তাতেই বেশ চাপে পড়ে গিয়েছেন বেসরকারি বাস মালিক সংগঠনগুলির নেতারা।
তাঁদের বক্তব্য, একই সঙ্গে চলাচলকারী সরকারি এবং বেসরকারি বাসের ভাড়ায় পার্থক্য থাকলে, যেখানে কম ভাড়া সেখানেই যাত্রীরা ভিড় করবেন। কাজেই বর্ধিত ভাড়ায় বেসরকারি বাস চলতে শুরু করলেও যাত্রী সংখ্যা কমবে। এর জন্যই সরকারি-বেসরকারি সব বাসেই যাতে ভাড়ায় ভারসাম্য থাকে, তার জন্য পরিবহণ দপ্তরের কাছে আর্জি জানাবে
বলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছে একাধিক সংগঠনের নেতৃত্ব।
এদিকে সরকারি-বেসরকারি বাস, ট্যাক্সি, অটোর সঙ্গে আগামী সপ্তাহ থেকেই কিছু রুটে ভেসেল চালানোরও প্রস্তুতি শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ পরিবহণ নিগম। নিগমের এক কর্তা বলেন, কয়েকটি রুটে আগের ভাড়াতেই ভেসেল চলাচলের সূচনা হবে। যাত্রী সংখ্যা আগের তুলনায় চার ভাগের এক ভাগ রাখার পরিকল্পনা চলছে।
ট্যাক্সি ভাড়ার ক্ষেত্রে মালিকরা আগেই দাবি করেছিলেন, মিটারে যা উঠবে তার উপরে আরও ৩০% ভাড়া বেশি নেওয়া হবে। যাত্রীসংখ্যা বিবেচনা করে অটোর ভাড়াও ঠিক করা
হচ্ছে বলে জানিয়েছে অটো ইউনিয়নগুলির নেতৃত্ব। দু’টি অ্যাপ ক্যাব সংস্থাকে ১০০টি করে গাড়ি নামানোর ছাড়পত্র দিয়েছিল দপ্তর। সূত্রের খবর, সরকারের যাবতীয় গাইডলাইন মেনে ইতিমধ্যেই দু’টি সংস্থা কিছু গাড়ি রাস্তায় নামিয়েছে।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.à§­ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল à§§à§®.à§§ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck