পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাভবন

21st December 2019 পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাভবন


বাংলা নিউজঃ   পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছে মেদিনীপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাভবন। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার আগেই দুই দফায় মক টেস্ট নেওয়া হয়। এর নাম দেওয়া হয়েছে প্রাক মাধ্যমিক/ উচ্চমাধ্যমিক ১ ও ২। এখানে টেস্ট পরীক্ষার চেয়েও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় দু’‌ দফায় মক টেস্টকে। এই মক টেস্টে কে কত নম্বর পেল, তা থেকেই শিক্ষকদের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়, কোন ছাত্র সেই বছরের মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় নজরকাড়া ফল করতে চলেছে।
এ বছর ৮৫ জন মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল। তার মধ্যে রাজ্য মেধা তালিকায় সপ্তম হয়েছে একজন। এ ছাড়া সার্বিক ফলের দিক থেকে এই স্কুলই এ বছর জেলার সেরা। উচ্চমাধ্যমিক দিয়েছিল ৬৬ জন। তার মধ্যে রাজ্যের মেধা তালিকায় তৃতীয় ও পঞ্চম হয়েছে দুই ছাত্র। সার্বিক ফলও জেলার দিক থেকে সেরাই। সামনের বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে ৯৭ জন ও উচ্চমাধ্যমিক দেবে ৬৫ জন। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা ৮১৫ জন। অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যেও প্রথম সারিতে রয়েছে রামকৃষ্ণ, স্বামী বিবেকানন্দের নীতি ও আদর্শ অনুসরণ করে চলা এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। ৩৮ বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck