এমপি ফান্ডের টাকা এখন স্বাস্থ্য পরিকাঠামোতে - দেব

17th May 2020 12:37 pm পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর
এমপি ফান্ডের টাকা এখন স্বাস্থ্য পরিকাঠামোতে - দেব


মেদিনীপুর: করোনা মোকাবিলায় এমপি ফান্ডের টাকা এখন স্বাস্থ্য পরিকাঠামো তৈরিতে ব্যয় করা উচিত। শনিবার বিকেলে মেদিনীপুর জেলা পরিষদে সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা বলেন ঘাটালের সংসদ সদস্য দীপক অধিকারী ওরফে দেব। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই করোনা মোকাবিলার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে এক কোটি টাকা দিয়েছি।
পরিযায়ী শ্রমিকদের এই অবস্থার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে পরোক্ষে দায়ী করে দেব বলেন, শ্রমিকদের যদি থাকার এবং খাওয়ার ব্যবস্থা করা হতো, তাহলে তাঁরা বাড়ি ফেরার জন্য এত ব্যাকুল হতেন না। কারণ, এখন যা অবস্থা তাতে যে যাঁর নিজের রাজ্যে ফিরে গিয়েও কাজ পাবেন না। প্রতিদিন সংবাদ মাধ্যমে দেখি, কী কষ্ট করে পরিযায়ী শ্রমিকরা বাড়ি ফিরছেন। ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা বাক্সের উপর শুয়ে রয়েছে, আর তাকে মাইলের পর মাইল টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এসব দেখে খুব কষ্ট হয়। আমাদের রাজ্য সরকার অনেক করছে। কেন্দ্রীয় সরকার বা যে রাজ্যে শ্রমিকরা ছিলেন, সেখানকার সরকার যদি তাঁদের দিকে নজর দিতেন, তাহলে হয়তো এই অবস্থা হতো না। আমি বলব, এই অবস্থায় ট্যুইট না করে মানুষের জন্য সকলের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া দরকার।
সময় না দিয়ে লকডাউন ঘোষণা করা নিয়েও তিনি এদিন কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করেন। দেব বলেন, আচমকা লকডাউন ঘোষণা করা হল। কাউকে ফিরতে সময় দেওয়া হল না। পরিযায়ী শ্রমিকরা ফিরতে পারলেন না। সেখানে রোজগার নেই। ঘর ভাড়া দেওয়ার মতো অবস্থা নেই। খাবারের সংস্থান নেই। ফলে, তাঁরা ফিরে আসতে বাধ্য হচ্ছেন। এই বিষয়টি সরকারের আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত ছিল। তিনি বলেন, করোনা এত তাড়াতাড়ি যাওয়ার নয়। লকডাউন ৫০দিন হয়েছে। পরে হয়তো ৯০দিন হবে। স্বাস্থ্য পরিকাঠামো তৈরি করার জন্য এখনও হাতে সময় রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে হাসপাতালে আরও বেশি করে বেডের ব্যবস্থা করা দরকার। আইসিইউ ইউনিট বাড়ানো দরকার। কিট মজুত করা দরকার। কারণ, এটা শুধু মে মাসের জন্য নয়। জুলাই, আগস্ট মাসেও এসবের প্রয়োজন হবে। ভোট নিয়ে এখন রাজনীতি করা উচিত নয়।





Others News

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি

ঘাটালে বন্যার জলে নেমে দেখলেন মমতা বন্যা পরিস্থিতি


 News: একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার প্রতি কেন্দ্র উদাসীন। ভয়াবহ প্লাবনের কবলে পড়া এই রাজ্যের বন্যা নিয়ন্ত্রণের বকেয়া প্রকল্পগুলি নিয়েও ঠিক একইভাবে নীরব হয়ে রয়েছে তারা। à§©à§® বছরের পুরনো ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান আদায়ে এবার আন্দোলনের পথকেই বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি আদায়ে এমপি, এমএলএ এবং মন্ত্রীদের সম্মিলিত টিমকে দিল্লিতে দরবার করতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। প্রয়োজনে ধর্না সহ গণতান্ত্রিক সমস্ত রাস্তাকে অবলম্বন করেই যে বাংলার দাবি আদায় করা হবে, সে ইঙ্গিতও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে মঙ্গলবার ঘাটালে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে নেমে যেমন খতিয়ে দেখেছেন পরিস্থিতি, তেমনই ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করে দুর্গতদের মধ্যে জরুরি সামগ্রী বিলিও করেছেন। 
ঝাড়গ্রাম থেকে আকাশপথে এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ঘাটালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। আসার সময় হেলিকপ্টার থেকেই বন্যাদুর্গত এলাকা জরিপ করেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘অতিবর্ষণ তো হচ্ছেই, তার সঙ্গে জলাধারগুলি থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ায় ভেসে যাচ্ছে সব এলাকা। পরিকল্পিত বন্যা এটা। অথচ সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এবং সুন্দরবন ও দীঘা মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দরবার করার পরও অনুমোদন মিলছে না। পাওয়া যাচ্ছে না সাহায্য। আমি সব রিপোর্ট নিলাম। রা‌জ্য সরকার তার সাধ্যমতো কাজ করবে সাধারণের স্বার্থে।’ স্পষ্ট উষ্মা মুখ্যমন্ত্রীর গলায়—‘সবাইকে সরব হতে হবে। না হলে কেউ বাঁচব না। রাজ্যের দুই মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ও মানস ভুঁইঞার নেতৃত্বে দেব (ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী), জুন (মেদিনীপুরের বিধায়ক) সহ আরও এমপি, এমএলএরা দিল্লি যাবে। দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ধর্নায় বসতে হবে। ’ 


blanck