বাংলা নিউজঃ ক্যাব আন্দোলনের মাঝে লখনউতে যাওয়ার পথে বাধা পেলেন তৃণমূলের চার প্রতিনিধি। দীনেশ ত্রিবেদীর নেতৃত্বে প্রতিমা মণ্ডল, নাদিমুল হক এবং আবিররঞ্জন বিশ্বাস রবিবার দুপুরে লখনউ বিমানবন্দরে পৌঁছন। অভিযোগ, সেখানেই প্রায় পঞ্চাশজন ঘিরে ধরে তাঁদের। বিমানবন্দর থেকে বেরোতে দেওয়া হয়নি কাউকেই। দীনেশ ত্রিবেদীর নেতৃত্বে আপাতত রানওয়েতে ধরনায় বসেছেন তাঁরা। দীনেশ ত্রিবেদীর নেতৃত্বে যাবেন সাংসদ প্রতিমা মন্ডল, মহম্মদ নাদিমুল হক এবং আবীর বিশ্বাস। পুলিসের গুলিতে মৃতদের পরিবার এবং জখমদের সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে তাঁদের। কিন্তু রবিবার সকালেই উত্তর প্রদেশের ডিজি ওপি সিং সাফ বলে দিয়েছেন, ১৪৪ ধারা জারি থাকায় তৃণমূল প্রতিনিধিদের লখনউ ঢুকতে দেওয়া হবে না। সাংবাদিকদের মাধ্যমে তৃণমূলের উদ্দেশ্যে দেওয়া বার্তায় ডিজি বলেছেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি যে তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন নেতা খানে আসতে চাইছেন। আমরা তাঁদের এটার অনুমতি দেব না কারণ এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি আছে। ওঁরা এলে বিমানবন্দর থেকেই ওঁদের ফেরত পাঠানো হবে। আর এতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।’
গত শুক্রবার থেকে আন্দোলনের আগুনে জ্বলছে উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর, দেওবাঁধ, শামলি, মুজাফ্ফরনগর, মিরাট, গাজিয়াবাদ, হাপুর, সম্বল, আলিগড়, বাহারাইচ, ফিরোজাবাদ, কানপুর, বাদোহি, গোরক্ষপুর। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানো হয়। বিক্ষোভকারীদের দাবি, বেশ কয়েক রাউন্ড গুলিও চালানো হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে ক্রমশই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। বছর আটেকের একটি শিশু-সহ এখনও পর্যন্ত মোট ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখমও হয়েছেন অনেকেই। এই পরিস্থিতিতে নিহতদের পরিজনদের সঙ্গে দেখা করতে লখনউতে যাওয়া তৃণমূলের ওই চার প্রতিনিধির। রবিবার সকালেই উত্তরপ্রদেশর ডিজিপি ওপি সিং জানিয়ে দিয়েছিলেন ১৪৪ ধারা জারি থাকা লখনউতে কিছুতেই তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে যেতে দেওয়া হবে না। লখনউ বিমানবন্দরে পৌঁছনোর পর ডিজিপির নির্দেশই বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হল তৃণমূল প্রতিনিধিদের।