কার কথা বিশ্বাস করবে মানুষ , মোদী না অমিত শাহের

22nd December 2019 ভারত
কার কথা বিশ্বাস করবে মানুষ , মোদী না অমিত শাহের


বাংলা নিউজঃ বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী দুই মেরুতে! দেশের সবচেয়ে চর্চিত ইস্যু, এনআরসি নিয়ে অন্তত মোদি-অমিত শাহর বক্তব্যে কোনও মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) যেখানে একাধিকবার প্রকাশ্যে বলেছেন, ২০২৪ নির্বাচনের আগে দেশজুড়ে এনআরসি চালু করা হবে। সেখানে রবিবার দিল্লিতে মোদীর   গলায় শোনা গেল অন্য কথা। মোদি বলছেন, “আমি ক্ষমতায় আসার পর থেকে আজ পর্যন্ত এনআরসি নিয়ে কোনও আলোচনাই হয়নি।”

তাহলে কে মিথ্যে বলছেন?‌ দেশের প্রধানমন্ত্রী নাকি দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী?‌ কারণ নির্বাচনী ইস্তেহার থেকে গরমাগরম টুইট বা ইন্টারভিউ, অমিত শাহ থেকে রাজ্য নেতা দিলীপ ঘোষ, সংগঠিত দল বিজেপির সর্বস্তরের নেতারাই বারবার বলেছেন এনআরসি হবেই। অথচ আজ মোদি বললেন, এনআরসি নিয়ে নাকি কোনও আলোচনাই হয়নি। তাহলে ‘‌জুমলা’‌ দিচ্ছে কে?‌
এনআরসি, ডিটেনশন ক্যাম্প নিয়ে গুজব রটানো হচ্ছে। রবিবার রামলীলা ময়দানে দাঁড়িয়ে ঠিক একথাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর বক্তব্য, মিথ্যে কথা বলছেন বিরোধীরা। গোটা দেশে এনআরসি চালু হওয়ার কথা নাকি বিরোধীরাই ছড়াচ্ছেন রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্য। রবিবার প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘‌আমি দেশের ১৩০ কোটি ভারতবাসীকে জানাতে চাই, ২০১৪ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসার পর এখনও পর্যন্ত কোথাও কখনও এনআরসি নিয়ে আলোচনা হয়নি। 





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck