স্বাধীনতার ৭০ বছর পরেও মুসলিমদের নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য লড়াই করতে হচ্ছে - আসাদউদ্দিন ওয়েইসি

23rd December 2019 ভারত
স্বাধীনতার ৭০ বছর পরেও মুসলিমদের নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য লড়াই করতে হচ্ছে - আসাদউদ্দিন ওয়েইসি


বাংলা নিউজঃ সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) নিয়ে ফের একবার মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন আসাদউদ্দিন ওয়েইসি (Asaduddin Owaisi) । তাঁর কথায়, শুধু মুসলিমরাই নন, সমস্ত দেশবাসীর উপর এই আইনের প্রভাব পড়বে। তাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে এর বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে।তিনি বলেন   ‘‘লাইনে দাঁড়িয়ে ভারতীয় হওয়ার প্রমাণ দিতে হবে কেন? এই মাটিতে জন্মেছি আমি। এই দেশেরই বাসিন্দা। তার পরেও ১০০ কোটি মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে হবে। প্রমাণ দিতে হবে নাগরিকত্বের। এটা শুধুমাত্র মুসলিমদের সমস্যা নয়, বরং প্রত্যেক ভারতবাসীর সমস্যা।

ওয়াইসির প্রশ্ন, দেশভাগের সময় মুসলিমরা পাকিস্তানকে বেছে নেয়নি। ভারতকেই বেছে নেয়। এখন বলা হচ্ছে, পৃথিবীতে আরও অনেক মুসলিম দেশ আছে, সেখানে চলে যান। কেন যাব? আপনারা যান। আমরা ভারতবর্ষে জন্মেছি। আমরা ভারতের নাগরিক। আমরা এই দেশে জন্মেছি। তা সত্ত্বেও স্বাধীনতার ৭০ বছর পর আমাদের মর্যাদার লড়াই কেন লড়তে হবে? হায়দরাবাদের সাংসদের দাবি, “দেশভাগের সময় জিন্নার দ্বিজাতি তত্ত্ব প্রত্যাখ্যান করে ভারতীয় মুসলিমরা। অথচ, আমাদের স্বাধীনতার ৭০ বছর পরেও মর্যাদার লড়াই লড়তে হচ্ছে।” উল্লেখ্য, শুরু থেকেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনকে মুসলিম ও সংবিধান বিরোধী বলে দেগে দিয়েছেন ওয়েইসি। আগামীদিনে আরও কঠিন লড়াই করার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।





Others News

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

মোদীর কৃষি আইন আজ বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


 News; প্রায় দু’‌ মাস ধরে ধরে দিল্লি সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। দাবি, নতুন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। ইতিমধ্যে অন্তত ৪৫ জন কৃষক মারা গেছেন। হয় আত্মহত্যা করেছেন, নয়তো ঠান্ডায়। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে। এই অবস্থায় কৃষকদের পাশে দাঁড়াল সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রকে ধমক দিয়ে বলল, ‘‌হয় আপনারা কৃষি আইন স্থগিত রাখুন, নয়তো আমরা করছি। এখানে ইগোর কী রয়েছে?‌’‌
কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে চেয়ে উচ্চ আদালতে পিটিশন দায়ের করেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। 
• সেই শুনানিতেই এদিন প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বললেন, ‘‌খারাপ কিছু ঘটলে তার জন্য দায়ী হব আমরা প্রত্যেকে। আমাদের হাতে কোনও ক্ষত বা রক্ত চাই না।’‌ 
• সুপ্রিম কোর্টে এও বলল, যে কৃষি আইন স্থগিত রাখার পরেও আন্দোলন চলতে পারে। কেন্দ্র সরকারকেই স্থির করতে হবে, যে বর্তমান বিক্ষোভস্থলেই সেটা চলবে, নাকি অন্য কোথাও সরানো হবে। 
• দিল্লি সীমান্তে ২৬ নভেম্বর থেকে অবস্থান করছেন বহু মহিলা এবং বৃদ্ধ। শীর্ষ আদালতের ক্ষোভ, ‘‌পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। কৃষকরা আত্মহত্যা করছেন। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ আর মহিলারা কেন অবস্থানে বাধ্য হচ্ছেন?‌’‌
• ‘‌আদালত কৃষি আইন কার্যকর স্থগিত না করলে, আমরাই করব।’‌ কেন্দ্রকে কমিটি গড়ারও নির্দেশ দিয়েছে।
• অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের পাল্টা যুক্তি, কোনও আইন কেন অসাংবিধানিক, আদালত তা না জানিয়ে আইন স্থগিত করতে পারে না। দুই বা তিনটি রাজ্যের কৃষকরা এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন, গোটা দেশ নয়। 


blanck