আমফান ঝড় এর মোকাবিলা করতে প্রস্তুত রাজ্য

19th May 2020 5:40 pm পশ্চিমবঙ্গ
আমফান ঝড় এর মোকাবিলা করতে প্রস্তুত রাজ্য


ক্রমশ উপকূলের দিকে এগোচ্ছে সুপার সাইক্লোন আম্পান। বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে আছড়ে পড়ার কথা থাকলেও ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়ে গিয়েছে ঝড়বৃষ্টি। মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি জানালেন, ইতিমধ্যেই উপকূলবর্তী অঞ্চল থেকে তিন লক্ষ মানুষকে সরিয়ে ত্রাণ শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে দুলক্ষ, উত্তর ২৪ পরগনা থেকে ৫০,০০০, পূর্ব মেদিনীপুর থেকে ৪০,০০০ এবং পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে ১০,০০০ মানুষকে সরানো হয়। যাঁদের বাড়ি বিপজ্জনক অবস্থায় আছে তাঁদের ত্রাণশিবিরে যেতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

খোলা হয়েছে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম। কন্ট্রোল রুমের টোল ফ্রি নম্বর হল–১০৭০। এবং অন্য নম্বরগুলি হল— ০৩৩–২২১৪–৩৫২৬/‌১৯৯৫। 
রাজ্যবাসীকে সতর্ক করে মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ, বৃহস্পতিবার প্রশাসন না বলা পর্যন্ত ঝড় থামতে দেখেই যেন কেউ বাড়ির বাইরে না বেরোন। মমতা বলেছেন, ‘‌মরার উপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো ঘূর্ণিঝড় আম্পান। সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পৌঁছিয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা দলও। মুখ্যসচিবের নির্দেশে কাজ করছে টাস্ক ফোর্স। সাইক্লোন সেন্টারে যতটা সম্ভব সতর্কতা নেবেন।’‌‌





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck