ধেয়ে আসছে সুপার সাইক্লোন, ঘূর্ণিঝড় ‘‌আমফান’‌

19th May 2020 5:55 pm পশ্চিমবঙ্গ
ধেয়ে আসছে সুপার সাইক্লোন, ঘূর্ণিঝড় ‘‌আমফান’‌


একে করোনায় রক্ষে নেই। ধেয়ে আসছে সুপার সাইক্লোন, ঘূর্ণিঝড় ‘‌আমফান’‌। বুধবার ঘণ্টায় ১৮৫ কিমি গতিবেগে আছড়ে পড়বে পশ্চিমবঙ্গ এবং ওডিশায়। বিপর্যয় মোকাবিলায় বাড়তি তৎপর জাতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী। মোট ৩৭টি টিম নিয়ে একেবারে প্রস্তুত তারা। জানিয়েছেন জাতীয় প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেল এস এন প্রধান। 
সুপার সাইক্লোন আমফানের মোকাবিলায় কী করণীয়, সেই বিষয়ে আজ বিকেলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং জাতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বাহিনীর আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বৈঠকে জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গে আমফান দাপটে দেখাবে পূর্ব মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি এবং কলকাতায়। সেখানে কাঁচা বাড়ির বিস্তর ক্ষয়ক্ষতি হবে। পুরনো পাকা বাড়িও আমফানের ধ্বংসাত্বক গতি থেকে রেহাই পাবে না। এছাড়া প্রচুর বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়বে, বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দেবে। রেল ও সড়কপথে যানবাহনের গতিতে প্রভাব ফেলতে সুপার সাইক্লোন। ফসল, ফলের বাগান নষ্ট হবে। অসংখ্য আম, খেজুর ও নারকেল গাছ ভেঙে পড়বে। আমফানের গতিবেগে বড় বজরা, জাহাজেরও ক্ষতি হবে।





Others News

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ

আবার আসছে ঝড় জাওয়াদ


News: জাওয়াদ আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় বাড়ল দিন ও রাতের তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশী। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে  হয়েছে ৯৪ শতাংশ। 

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে উঁচু ঢেউ থাকবে এবং উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। 

ধেয়ে আসছে ‘জাওয়াদ’। আগামী শনিবার উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশা উপকূলের মাঝামাঝি কোনও জায়গায় আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। তার জেরে বাংলার উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই যাঁরা মাছ ধরার জন্য সমুদ্রে গিয়েছেন তাঁদেরও ফিরতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কৃষকদেরও ধান কেটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।


blanck